পারদের ওঠানামায় খুব জোর ঠান্ডা লেগে গিয়েছে? এক চামচ ঘি দিয়ে তাড়ান সর্দি-কাশি
Ghee for Seasonal Flu: সর্দি-কাশিতে সবচেয়ে বেশি কাজ দেয় গার্গেল এবং গরম ভেপার। এতে গলা ব্যথা এবং বুকে জমে থাকা কফ থেকে মুক্তি মেলে। কিন্তু তারপরেও শরীর দুর্বল হয়ে থাকে। এই অবস্থায় একমাত্র কাজে আসে ঘি। অনেকেই হয়তো জানেন না, ঘি পুষ্টিতে ভরপুর।

শীতকাল মানেই সর্দি-কাশি। বাঙালির ঘরে একজন মানুষ হলেও এখন হাঁচি-কাশিতে ভুগছেন। তার উপর কখনও গরম, কখনও আবার ঠান্ডা হাওয়া বইছে। এই তাপমাত্রার তারতম্যই শীতকালে জ্বর-সর্দির সমস্যা বাড়িয়ে তোলে। এই অবস্থায়। সর্দি-কাশিতে সবচেয়ে বেশি কাজ দেয় গার্গেল এবং গরম ভেপার। এতে গলা ব্যথা এবং বুকে জমে থাকা কফ থেকে মুক্তি মেলে। কিন্তু তারপরেও শরীর দুর্বল হয়ে থাকে। এই অবস্থায় একমাত্র কাজে আসে ঘি। অনেকেই হয়তো জানেন না, ঘি পুষ্টিতে ভরপুর। একাধিক শারীরিক কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে এক চামচ ঘি। ঋতু পরিবর্তনের মুখে সর্দি-কাশি খুব সাধারণ সমস্যা। কিন্তু সঠিক উপায়ে ঘি খেলে মরশুমি রোগের হাত থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারবেন। কীভাবে ঘি খাবেন, রইল টিপস।
ঘি ও চা: লিকার চা বানিয়ে নিন। এতে এক চামচ ঘি এবং এক চিমটে গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এই চা আপনাকে গলা ব্যথা এবং বুকে জমে থাকা কফ থেকে মুক্তি দেবে। পাশাপাশি এটি শরীরকে গরম রাখবে।
হলদি দুধ: এক গ্লাস গরম দুধে এক চিমটে হলুদ, ঘি, গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। ঘিয়ের পাশাপাশি হলুদও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। হলুদের মধ্যে অ্যান্টি-ভাইরাল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, যা সর্দি-কাশির হাত থেকে আপনাকে সুরক্ষিত রাখে।
আদা ও ঘি: এক টুকরো আদা থেঁতো করে নিন। এতে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খান। আদা ও ঘিয়ের মিশ্রণটি আপনার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করবে।
ঘি ও মধু: এক চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খান। গলায় জ্বালাভাব এবং কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ঘি ও মধু খান।
ঘি ও লবঙ্গ: জ্বর কমাতে ঘিয়ের সঙ্গে লবঙ্গের গুঁড়ো গরম করে খান। এতে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। এই মিশ্রণটি আপনাকে জ্বর ও ঠান্ডা লাগার উপসর্গ থেকে মুক্তি দেবে।
ঘি দিয়ে ভেপার নিন: বন্ধ নাক খুলতে সাহায্য করবে ঘি। গরম জলে ভেপার নিলে বন্ধ নাক, মাথা ধরার সমস্যা কমে যায়। ওই গরম জলে এক চামচ ঘি মিশিয়ে দিন। এরপর ভেপার নিন। এতে উপকার পাবেন।
পায়ে ঘি মালিশ করুন: শরীরকে গরম রাখতে আপনি পায়ের পাতায় ঘি মালিশ করতে পারেন। এই আয়ুর্বেদিক টোটকা স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই কাজটা সারলে ঘুমও ভাল হবে, শরীর গরম থাকবে এবং গোড়ালি ফাটার সমস্যা আপনাকে বিরক্ত করবে না।
