e দিনে কতটা আলু খাওয়া নিরাপদ? আলু না ছেড়ে জানুন উপকারিতা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা - Bengali News | How much potato is safe to eat daily health benefits and expert advice - TV9 Bangla News

দিনে কতটা আলু খাওয়া নিরাপদ? আলু না ছেড়ে জানুন উপকারিতা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা

তবে সব উপকারিতার মাঝেও কিছু সতর্কতা মানা ভীষণ ভাবে জরুরি। আলুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলকভাবে বেশি। ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আলু খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন আলু না খাওয়াই ভালো। খেলে অল্প পরিমাণে এবং অন্যান্য শাকসবজির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উচিত।

দিনে কতটা আলু খাওয়া নিরাপদ? আলু না ছেড়ে জানুন উপকারিতা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা

Jan 30, 2026 | 6:34 PM

আলু ছাড়া বাঙালির রান্নাঘর কল্পনাই করা যায় না। ঝোল, ভাজা, তরকারি থেকে শুরু করে নানা পদে আলুর ছাড়া বাঙালি কোনও পদ ভাবতেই পারেন না। কিন্তু প্রশ্ন একটাই রোজ আলু খাওয়া কি আদৌ শরীরের জন্য ভালো? আর দিনে কতটা আলু খেলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না? এই নিয়েই মত দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।

পুষ্টিবিদদের মতে, আলু পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। বরং সঠিক পরিমাণে ও সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করে খেলে আলু শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। সাধারণত একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে মাঝারি আকারের এক থেকে দুইটি আলু খেতে পারেন। ওজনের হিসাবে তা প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম। তবে শর্ত একটাই আলু যেন ভাজা বা অতিরিক্ত তেল-মশলায় রান্না করা না হয়।

আলুতে থাকা শর্করা, যা শরীরকে শক্তি জোগায়। তাই পরিশ্রমী মানুষ বা যাঁরা শারীরিক কাজ করেন, তাঁদের জন্য আলু ভালো শক্তির উৎস হতে পারে। পাশাপাশি এতে থাকা খাদ্য আঁশ হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে আলু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে থাকে।

আলুর আর একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হল এতে থাকা পটাশিয়াম। এই খনিজ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এছাড়াও আলুতে ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৬ থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

তবে সব উপকারিতার মাঝেও কিছু সতর্কতা মানা ভীষণ ভাবে জরুরি। আলুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলকভাবে বেশি। ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আলু খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন আলু না খাওয়াই ভালো। খেলে অল্প পরিমাণে এবং অন্যান্য শাকসবজির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উচিত।

এছাড়া যাঁরা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও আলু নিয়ে সতর্ক থাকা দরকার। সেদ্ধ বা অল্প তেলে রান্না করা আলু পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে, কিন্তু ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস বা বেশি তেলে ভাজা আলু খেলে কমবে না ওজন।

সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের মত, আলু খারাপ নয়, খারাপ হল অতিরিক্ত খাওয়া ও ভুল রান্নার পদ্ধতি। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পরিমাণ মেনে, ভারসাম্য রেখে আলু রাখলে তা শরীরের ক্ষতি না করে বরং উপকারই করে।