
ঝকঝকে ত্বকের আশায় ফেসিয়াল অনেকেই ঘন ঘন ফেসিয়াল করান। কেউ আবার মাসে একবার। আবার কেউ করান কোনও বিশেষ দিনের আগে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই মাসে কতবার ফেসিয়াল করানো নিরাপদ? ডার্মাটোলজিস্টদের মতে, ফেসিয়াল উপকারী হলেও অতিরিক্ত হলে উপকারের বদলে ক্ষতিই বেশি হতে পারে।
কতবার ফেসিয়াল করা নিরাপদ?
ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছেন স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে মাসে একবার ফেসিয়াল যথেষ্ট। এই সময়ে ত্বক নিজে থেকে পুনর্গঠন করে। তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ ত্বক হলে দুই মাসে একবার বা চিকিৎসকের পরামর্শে করা ভালো।
সংবেদনশীল ত্বক হলে নিয়মিত ফেসিয়াল না করাই নিরাপদ প্রয়োজনে খুব হালকা ক্লিন-আপ করতে পারেন। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে করা উচিত।
বেশি ফেসিয়াল করলে কী ক্ষতি হতে পারে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, বারবার স্ক্রাব, স্টিম ও কেমিক্যাল ব্যবহারের ফলে ত্বকের স্বাভাবিক ক্ষমতা নষ্ট হতে পারে। ঘন ঘন এক্সফোলিয়েশন ত্বকের উপরিভাগের প্রাকৃতিক তেল সরিয়ে দেয়। ফলে শুষ্কতা, জ্বালা ও লালচে ভাব দেখা যায়। অতিরিক্ত ম্যাসাজ ও ভারী প্রোডাক্ট ব্যবহার রোমকূপ বন্ধ করে দেয়, এতে ব্রণ বেড়ে যায়। বিভিন্ন কেমিক্যাল বা সুগন্ধি একসঙ্গে বারবার লাগালে অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়ে। নিয়ম না মেনে পিলিং বা শক্ত স্ক্রাব ত্বককে সংবেদনশীল করে তোলে, যার ফলে রোদে কালচে দাগ পড়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত ফেসিয়াল করলে রোজেসিয়া বা দীর্ঘস্থায়ী জ্বালার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্বকের নিজে থেকে সুস্থ হতে প্রায় ৩–৪ সপ্তাহ সময় লাগে। এই সময়ের আগেই বারবার ফেসিয়াল করলে স্বাভাবিক কোষ পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?