Lip Care: ঠোঁট কালচে হচ্ছে? কী করলে পুজোর আগে ফিরবে ঠোঁটের আসল রং, দেখুন!
Health Care: পুজোর আগে সাজগোজ, পুজোর প্রস্তুতি প্রায় শুরু হয়েই গিয়েছে। আর দিন কয়েক পরেই পুজো। তবে শরীরের পাশাপাশি ঠোঁটের সৌন্দর্য নিয়েও চিন্তিত থাকেন অনেকে। শুষ্কতা, রোদ, ধূমপান প্রায় ঠোঁট কালচে হয়ে যেতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ উপায়ে আপনার ঠোঁটকে নরম ও স্বাস্থ্যকর রাখুন।

কলকাতা : পুজো আসতে আর বেশি দেরি নেই। ইতিমধ্যেই সাজগোজ, ফেস লুকের দিকে নজর দিতে শুরু করেছেন অনেকেই। তবে মুখের ত্বকের পাশাপাশি নিজের ঠোঁটের যত্ন নেয়াও গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেরই ঠোঁটের স্বাভাবিক রং ধীরে ধীরে কালচে হয়ে যায়। তবে একটা জিনিস মাথায় রাখুন, প্রত্যেকের ঠোঁটের স্বাভাবিক রং আলাদা। তাই ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করে ঠোঁটের রং পুরোপুরি বদলে ফেলা সম্ভব নয়। কিন্তু নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে ঠোঁটকে নরম ও মসৃন রাখা যায়।
ধূমপান –
ঠোঁট কালচে হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে ধূমপান। সিগারেটের ধোঁয়া, তাপ ঠোঁটের সংবেদনশীল। তাই ত্বকে বারবার ইরিটেশন তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন ধূমপানের ফলে ঠোঁটে কালচে ভাব হয়ে যায়। তাই ঠোঁটের কালচে ভাব বন্ধ করতে চাইলে ধূমপান বন্ধ করা দরকার।
নিয়মিত ময়েশ্চারাইজ করুন –
শুষ্ক ও ফাটা ঠোঁট দেখতে অনেক সময় আরও কালচে লাগে। তাই দিনে কয়েকবার লিপ বাম ব্যবহার করুন। রাতে ঘুমানোর আগে ময়েশ্চারাইজিং লিপ বাম লাগানো যেতে পারে। ঠোঁট অতিরিক্ত শুকিয়ে গেলে তা টেনে ছাড়ানো বা কামড়ানোর অভ্যাসও এড়িয়ে চলুন।
লিপ বাম –
শুধু মুখের ত্বক না, সূর্যের ইউভি রশ্মি ঠোঁটের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। বাইরে বের হওয়ার সময় এসপিএফ-যুক্ত লিপ বাম ব্যবহার করা ভাল। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী আবার লাগাতে হবে। তবে মাঝে মাঝে ঠোঁটের শুষ্কতা কমাতে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যেতে পারে। সামান্য মধুর সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে কয়েক মিনিট ঠোঁটে রেখে পরে ধুয়ে ফেলতে পারেন। তবে কোনও কিছু লাগানোর পর জ্বালা করলে সঙ্গে সঙ্গে তুলে ফেলুন।
শরীরে জলের ঘাটতি হলেও ঠোঁট শুকিয়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত জল পান করুন। একই সঙ্গে বারবার ঠোঁট চাটার অভ্যেস কমান। সকালে মুখ ধোয়ার পর ও রাতে ঘুমোনোর আগে ঠোঁটের কেয়ার করুন। অ্যালার্জি হলে কোনও লিপ বাম ব্যবহার করবেন না। নিয়মিত যত্ন নেওয়ার পরও যদি ঠোঁটের কালচে ভাব না কমে বা কোনও অসুস্থতা হয়, তাহলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
