
ডায়েট করছেন? ওজন তো কমছে,ভুঁড়ি কমছে না? শুধু একটু ভুঁড়ি কমাবেন বলে খাওয়া দাওয়ার পরিমাণ,সময়,সব মানছেন ছেড়েই দিয়েছেন জাঙ্ক ফুড তাও চিন্তায় আছেন ভুঁড়ি কমা নিয়ে? জানুন ডায়েটের সঙ্গে কী কী মানলে কমবে ভুঁড়ি।
ভুঁড়ি কমাতে গেলে আগে জানতে হবে পেটে বেশি মেদ কেন বাড়ে। অনেকেরই ভুল ধারণা বেশি খেলেই ভুঁড়ি বাড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুঁড়ি বাড়ার পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। স্ট্রেস , হরমোনের তারতম্য , ঘুম কম, লাইফস্টাইল সব কিছুই ভুঁড়ি বাড়ার কারণ।
তাই শুধু প্লেট ছোট করলেই ভুঁড়ি ছোট হবে—এই ধারণা ভুল। আপনি কম খাচ্ছেন, কিন্তু সারাক্ষণ টেনশন? অফিসের চাপ, সংসারের চিন্তা বা ভবিষ্যতের ভয়—এই নিয়েই আছেন? তাহলে কর্টিসল হরমোন নিঃসৃত হবে। এই হরমোন সরাসরি পেটের চারপাশে মেদ জমাতে সাহায্য করে। আবার অনেকে ডায়েটের কথা ভেবে প্রোটিন কমিয়ে দেয় । ফলে শরীর বাঁচাতে গিয়ে মেটাবলিজম কমে যায়। এতে শরীর ভাবে, খাবার কম—মেদ জমিয়ে রাখো। আর সেই মেদ সবচেয়ে আগে জমে পেটে। কম ঘুমও পেটে মেদ বাড়ার কারণ।
ভুঁড়ি কমাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম জরুরি। তার কম ঘুমাচ্ছেন? তাহলে ভুঁড়ি কমানোর আশা ছাড়ুন। শুধু হাঁটলে বা কার্ডিও করলেই হবে না। ভুঁড়ি কমাতে মাসলকে সচল করতে হবে। হালকা স্কোয়াট , প্লান্ক ,কোর স্ট্রেনথের ব্যায়াম না করলে পেটের চর্বি সহজে কমে না। মহিলাদের PCOD ,PCOS সমস্যা থাকলে ভুঁড়ি কমানো বেশ চাপের। মহিলারা সব মেনেও ওজন না কমলে PCOD ,PCOS রয়েছে কিনা জানুন। অনেক মাস ধরে একই ডায়েট ফলো করলে আজই বদলান।
একই রূটিন অনেক দিন মানলে ডায়েটের কার্যকারিতা কমে যায়। কী কী মানলে কমবে ভুঁড়ি? প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট ধ্য়ান করুন। ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমান। সপ্তাহে কম করে ৩ দিন ব্যায়াম করুন। ডায়াটিশিয়ানের পরামর্শ নিয়ে রোজ পর্যাপ্ত প্রোটিন, জল নিন। এবার থেকে ভুঁড়ি নিয়ে চিন্তা না করে লাইফস্টাইল ঠিক করুন। সমস্যা মেটান গোড়া থেকে।