
স্বপ্নের কোম্পানি গুলোতে বারবার যাচ্ছেন ইন্টারভিউ দিতে? ভালভাবে পড়াশোনা করে যাচ্ছেন, জ্ঞান ও রয়েছে ভাল, অথচ পাচ্ছেন না চাকরি? দীর্ঘদিন ব্যর্থ হতে হতে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ছেন? অনেকেই এই সমস্যার শিকার। তবে এটা আপনার জ্ঞানের অভাব নয়, ইন্টারভিউতে করা ছোট ছোট ভুলগুলোই হয়তো নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
কেন মিলছে না চাকরি? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
একটি জনপ্রিয় চাকরি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে ১,০০০+ নিয়োগকারী জানিয়েছে, ইন্টারভিউতে টাইমে না পৌঁছানো নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি বড় নেতিবাচক কারণ । দেড়-দুই মিনিটের দেরিও আপনার পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
আরও এক জরিপে দেখা গেছে, ৩০%+ নিয়োগকারী জানিয়েছেন যখন প্রার্থী কোম্পানি বা পজিশনের উপর আগে থেকে কোন রিসার্চ করেনা, তখন তাকে নেতিবাচকভাবে দেখা হয়। এর মানে বোঝায় আপনি আগ্রহী নন।
কমিউনিকেশনের মাত্র ৭% শব্দে, ৩৮% টোনে, ৫৫% শরীরি ভাষা নির্ধারিত হয়। প্রায় ৬৫% নিয়োগকারী মনে করেন চোখের দিকে তাকিয়ে কথা না বলা বা ভুল দৈহিক বাচনভঙ্গী ইন্টারভিউতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সাম্প্রতিক গবেষণা এবং ক্যারিয়ার পোর্টালগুলো বারবার জানিয়েছে যে, দীর্ঘ, গোলমাল উত্তর বা প্রশ্ন বুঝে না উত্তর দেওয়া ইন্টারভিউতে সফল হওয়ার সম্ভবনা কমায়।
এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে নিয়োগকারীদের ৫২% সিদ্ধান্ত প্রথম ৫-১৫ মিনিটের মধ্যে নিয়েই ফেলেন, তাই শুরুটা ভালো না হলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম।
ইন্টারভিউের ক্ষেত্রে অনেক সময় সাজ, ড্রেস কোডও ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগে ভাল করে জেনে, বুঝে প্রফেশানাল ভাবে তৈরী হয়ে যাওয়া উচিৎ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারভিউয়ের সময় শুধু সঠিক উত্তর দেওয়াই যথেষ্ট নয় প্রস্তুতি, আত্মবিশ্বাস,সময় ও পেশাদার আচরণ সবই নির্ভর করে আপনি চাকরি পাবেন কিনা।
স্বপ্নের কোম্পানি গুলোতে বারবার যাচ্ছেন ইন্টারভিউ দিতে? ভালভাবে পড়াশোনা করা যাচ্ছেন, জ্ঞান ও রয়েছে ভাল, অথচ পাচ্ছেন না চাকরি? দীর্ঘদিন ব্যর্থ হতে হতে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ছেন? অনেকেই এই সমস্যার শিকার। তবে এটা আপনার জ্ঞানের অভাব নয়, ইন্টারভিউতে করা ছোট ছোট ভুলগুলোই হয়তো নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
কেন মিলছে না চাকরি? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
একটি জনপ্রিয় চাকরি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে ১,০০০+ নিয়োগকারী জানিয়েছে, ইন্টারভিউতে টাইমে না পৌঁছানো নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি বড় নেতিবাচক কারণ । দেড়-দুই মিনিটের দেরিও আপনার পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
আরও এক জরিপে দেখা গেছে, ৩০%+ নিয়োগকারী জানিয়েছেন যখন প্রার্থী কোম্পানি বা পজিশনের উপর আগে থেকে কোন রিসার্চ করেনা, তখন তাকে নেতিবাচকভাবে দেখা হয়। এর মানে বোঝায় আপনি আগ্রহী নন।
কমিউনিকেশনের মাত্র ৭% শব্দে, ৩৮% টোনে, ৫৫% শরীরিভাষা নির্ধারিত হয়। প্রায় ৬৫% নিয়োগকারী মনে করেন চোখের দিকে তাকিয়ে কথা না বলা বা ভুল দৈহিক বাচনভঙ্গী ইন্টারভিউতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সাম্প্রতিক গবেষণা এবং ক্যারিয়ার পোর্টালগুলো বারবার জানিয়েছে যে, দীর্ঘ, গোলমাল উত্তর বা প্রশ্ন বুঝে না উত্তর দেওয়া ইন্টারভিউতে সফল হওয়ার সম্ভবনা কমায়।
এক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়োগকারীদের ৫২% সিদ্ধান্ত প্রথম ৫-১৫ মিনিটের মধ্যে নিয়েই ফেলেন, তাই শুরুটা ভালো না হলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম।
ইন্টারভিউের ক্ষেত্রে অনেক সময় সাজ, ড্রেস কোডও ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগে ভাল করে জেনে, বুঝে প্রফেশানাল ভাবে তৈরী হয়ে যাওয়া উচিৎ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারভিউয়ের সময় শুধু সঠিক উত্তর দেওয়াই যথেষ্ট নয় প্রস্তুতি, আত্মবিশ্বাস,সময় ও পেশাদার আচরণ সবই নির্ভর করে আপনি চাকরি পাবেন কিনা।