
ফ্যাশনেবলদের কাছে ফ্য়াশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুতো। ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফ্যাশন অনেকেই বেশ পছন্দ করেন। যদিও এখন ফ্যাশনের জগতে জুতোর ট্রেন্ড শুধু স্টাইলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই অনেকেই জুতো বাছাইকে ব্যক্তিত্ব, স্মৃতি আর আনন্দ প্রকাশের মাধ্যম বলেও মনে করেন। এ বছরের ফুটওয়্যার ট্রেন্ড একদিকে যেমন আধুনিক, অন্যদিকে তেমনই পুরোনো দিনের নস্ট্যালজিয়া ফিরিয়ে আনছে নতুন রূপে।
কী কী ফুটওয়্যার এই বছর ট্রেন্ডে রয়েছে?
সবচেয়ে বড় ট্রেন্ড হিসেবে উঠে আসছে স্কিনি বা লো-প্রোফাইল স্নিকার্স। আগের ভারী, মোটা সোলের জুতোর বদলে এখন মানুষ বেশি পছন্দ করছে হালকা, স্লিম এবং মিনিমাল ডিজাইন। এই স্নিকার্সগুলো সহজেই ক্যাজুয়াল ও স্মার্ট লুকের সঙ্গে মানিয়ে যায় সেটা জিন্স হোক, শর্টস হোক বা ফর্মাল প্যান্ট। বিশেষ করে ইয়ুথ ও জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে এই ট্রেন্ড বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
এর পাশাপাশি নজর কাড়ছে ফাঙ্কি ও কাটআউট ডিজাইনের স্নিকার্স, যেখানে জুতোর কিছু অংশ খোলা থাকে বা ভিন্ন আকৃতিতে কাটা থাকে। এই ডিজাইনগুলো সাধারণ জুতোর তুলনায় অনেক বেশি এক্সপেরিমেন্টাল এবং সাহসী। যারা আলাদা ও নজরকাড়া লুক পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি একটি পারফেক্ট চয়েস।
তবে ২০২৬-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ট্রেন্ডগুলোর একটি হল জেলি শুজের কামব্যাক। ৯০-এর দশকে জনপ্রিয় থাকা এই স্বচ্ছ, রঙিন ও প্লাস্টিক-মেড স্যান্ডাল ও জুতো আবার ফিরে এসেছে নতুন স্টাইলে। বর্ষাকাল, বিচ ট্রিপ বা ক্যাজুয়াল আউটিংয়ের জন্য জেলি শু-কে বেছে নিচ্ছেন অনেকেই। উজ্জ্বল রঙ, গ্লসি ফিনিশ আর রেট্রো ভাইব এখন ট্রেন্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এ ছাড়াও রঙিন এবং কাস্টমাইজেবল জুতো ট্রেন্ডে রয়েছে। অনেকেই এখন শুধু ব্র্যান্ড বা দাম দেখে নয় বরং এমন জুতো খুঁজছেন যা তাঁদের মুড, স্টাইল ও ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করতে পারে। কার্টুন-অনুপ্রাণিত ডিজাইন, কখনও প্যাস্টেল কালার, আবার কখনও রেট্রো প্যাটার্ন জুতো নিয়ে অনেকেই এখন এক্সপেরিমেন্ট করতে বেশি পছন্দ করছেন।
ইউনিক ফ্যাশন যাঁরা পছন্দ করেন তাঁরা অবশ্যই এই জুতোগুলো ট্রাই করে দেখতেই পারেন।