AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

রোদে ১২টা বাজবে না জেল্লার! ঘরেই বসেই পান গ্লাস স্কিন

কোরিয়ান রূপ চর্চায় 'হাইড্রেশন' বা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখাই হল আসল চাবিকাঠি। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, কোরিয়ানরা মূলত তাঁদের ত্বকের উপরিভাগের স্তর বা 'স্কিন ব্যারিয়ার' রক্ষা করার ওপর জোর দেন। এর জন্য কোনও ম্যাজিক নয়, বরং সঠিক নিয়মে ত্বকের পরিচর্যা করলেই উপকার পাবেন।

রোদে ১২টা বাজবে না জেল্লার! ঘরেই বসেই পান গ্লাস স্কিন
| Updated on: Mar 04, 2026 | 6:37 PM
Share

বাইরে বেরোলেই মাথার ওপর চড়া রোদ, আর ঘামে প্যাচপ্যাচে অবস্থা। গরম এখনই এসে গিয়েছে বলে চলে। গরমে ত্বকের বারোটা বাজতে খুব একটা সময় লাগে না। অথচ এই আবহাওয়াতেও কোরিয়ান ড্রামার অভিনেত্রীদের ত্বক যেন ঠিক কাচের মতো চকচক করে। যাকে দুনিয়া চেনে ‘গ্লাস স্কিন’ নামে। ভাবছেন তো, নামী-দামী পার্লার বা লক্ষ টাকার ট্রিটমেন্ট ছাড়া এমন ত্বক পাওয়া অসম্ভব? আজ্ঞে না, রহস্যটা লুকিয়ে আছে তাঁদের জীবনধারা আর বিশেষ কিছু প্রাকৃতিক উপাদানে, যা এবার আপনিও ট্রাই করতে পারেন।

আসল রহস্যটা ঠিক কী?

কোরিয়ান রূপ চর্চায় ‘হাইড্রেশন’ বা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখাই হল আসল চাবিকাঠি। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, কোরিয়ানরা মূলত তাঁদের ত্বকের উপরিভাগের স্তর বা ‘স্কিন ব্যারিয়ার’ রক্ষা করার ওপর জোর দেন। এর জন্য কোনও ম্যাজিক নয়, বরং সঠিক নিয়মে ত্বকের পরিচর্যা করলেই উপকার পাবেন।

ডবল ক্লিনজিং সারাদিনের ধুলোবালি আর ঘাম শুধু জল বা সাধারণ ফেসওয়াশে যায় না। গ্লাস স্কিন পেতে গেলে প্রথমে অয়েল-বেসড ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন, তারপর ব্যবহার করুন ওয়াটার-বেসড ফেসওয়াশ। এতে রোমকূপের গভীরে থাকা ময়লা বেরিয়ে আসে।

ভাতের ফ্যান কি ফেলে দিচ্ছেন?

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চাল ধোয়া জলে এবং ভাতের ফ্যানে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন-ই থাকে। কোরিয়ানরা যুগ যুগ ধরে এটি টোনার হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। এটি ত্বকের কালো ছোপ দূর করে এবং ত্বককে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে। তুলোয় করে এই জল প্রতিদিন মুখে লাগালে ত্বকের জেল্লা ফিরতে বাধ্য।

হাইড্রেটিং শিট মাস্ক ও সিরাম

গ্লাস স্কিনের জন্য চাই আর্দ্রতা। হ্যালুরোনিক অ্যাসিড বা ভিটামিন-সি যুক্ত সিরাম এক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে। তবে প্রাকৃতিক উপায়ে চাইলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের প্রদাহ কমায় এবং রোদে পোড়া ভাব বা ‘সানবার্ন’ থেকে রক্ষা করে।

কেন কাজ করে এই পদ্ধতি?

জার্নাল অফ কসমেটিক ডার্মাটোলজির একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ত্বকে আর্দ্রতার পরিমাণ সঠিক থাকলে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ে, যার ফলে ত্বক কুঁচকে যায় না এবং কাচের মতো স্বচ্ছ দেখায়।

তবে শুধু মাখলেই হবে না, শরীরকেও ভেতর থেকে আর্দ্র রাখতে হবে। দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল আর মরসুমি ফল না খেলে কোনও রূপটানই কাজে দেবে না। সুতরাং, এই দামী কসমেটিকস ছেড়ে বরং এই ঘরোয়া টিপসেই হয়ে উঠুন গ্লাস স্কিনের অধিকারী।