চন্দ্রমুখী আলু দিয়ে স্পেশাল পাঠার মাংসের ঝোল, দুপুরের খাওয়া একেবারে জমে যাবে

এতে টক দই, সামান্য আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো এবং ১ চামচ সরষের তেল দিয়ে মেখে অন্তত ১ ঘণ্টা রেখে দিন। কড়াইতে সরষের তেল গরম করে সামান্য নুন ও হলুদ দিয়ে চন্দ্রমুখী আলুর টুকরোগুলো সোনালি করে ভেজে তুলে রাখুন। মনে রাখবেন, চন্দ্রমুখী আলু তাড়াতাড়ি নরম হয়, তাই খুব বেশি কড়া করে ভাজার প্রয়োজন নেই।

চন্দ্রমুখী আলু দিয়ে স্পেশাল পাঠার মাংসের ঝোল, দুপুরের খাওয়া একেবারে জমে যাবে

|

Mar 25, 2026 | 8:34 PM

রবিবার দুপুরে পাঠার মাংসের ঝোল হলে, আর কিচ্ছুটি লাগে না। রবিবারের লাঞ্চ একেবারে জমে যায়। আর পাঠার মাংসে যদি বড় বড় আকারের আলু থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। এবার না হয়, পাঠার মাংসে চন্দ্রমুখী আলু দিয়ে বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু ঝোল।

 

পাঠার মাংস: ৫০০ গ্রাম (রেওয়াজি হলে ভালো হয়)

চন্দ্রমুখী আলু: ৩-৪টি (বড় টুকরো করে কাটা)

পেঁয়াজ কুচি: ৩টি বড় সাইজের

আদা বাটা: ১.৫ টেবিল চামচ

রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ

টমেটো কুচি: ১টি বড়

টক দই: ৩ টেবিল চামচ (ফেটানো)

কাঁচালঙ্কা: ৪-৫টি (ঝাল অনুযায়ী)

গুঁড়ো মশলা: হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো (পরিমাণমতো)

ফোড়নের জন্য: তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি ও সামান্য চিনি।

সরষের তেল: রান্নার জন্য।

নুন: স্বাদমতো।

গরম মশলা গুঁড়ো ও ঘি: নামানোর আগে।

মাংস ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এতে টক দই, সামান্য আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো এবং ১ চামচ সরষের তেল দিয়ে মেখে অন্তত ১ ঘণ্টা রেখে দিন। কড়াইতে সরষের তেল গরম করে সামান্য নুন ও হলুদ দিয়ে চন্দ্রমুখী আলুর টুকরোগুলো সোনালি করে ভেজে তুলে রাখুন। মনে রাখবেন, চন্দ্রমুখী আলু তাড়াতাড়ি নরম হয়, তাই খুব বেশি কড়া করে ভাজার প্রয়োজন নেই।

ওই তেলেই চিনি ও গরম মশলা ফোড়ন দিন। চিনি ক্যারামেলাইজড হয়ে লালচে রঙ ধরলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন। পেঁয়াজ বাদামি হলে আদা ও রসুন বাটা দিয়ে কষাতে থাকুন। এরপর টমেটো কুচি, নুন এবং বাকি গুঁড়ো মশলাগুলো দিয়ে সামান্য জল দিয়ে কষান যতক্ষণ না তেল ছাড়ছে। মশলা থেকে তেল ছাড়লে ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে ঢাকা দিয়ে দিয়ে ২০-২৫ মিনিট কষান। মাংস থেকে জল বের হবে এবং তাতেই মাংস অর্ধেক সেদ্ধ হয়ে আসবে। মাংসের রঙ যখন গাঢ় হয়ে আসবে, তখন ভাজা আলুগুলো দিয়ে আরও ৫ মিনিট নাড়াচাড়া করুন।

পুরো মিশ্রণটি প্রেসার কুকারে দিয়ে দিন (অথবা কড়াইতেও করতে পারেন)। পরিমাণমতো গরম জল দিন। ঝোল ফুটে উঠলে কুকারের ঢাকা বন্ধ করে ৪-৫টি সিটি দিন (মাংসের ধরন অনুযায়ী সিটির সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে)। প্রেসারের ভাপ নিজে থেকে বেরিয়ে গেলে ঢাকনা খুলুন। সবশেষে ওপর থেকে সামান্য ঘি এবং গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ ঢাকা দিয়ে রেখে গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

Follow Us