AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sugar-Free Rosogolla: চিনি ছাড়াই বানান তুলতুলে রসগোল্লা, মুখে দিলেই মিলিয়ে যাবে!

Durga puja recipe: ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে মানেই কি মিষ্টি খাওয়ার পাট চিরকালের জন্য শেষ? রক্তে শর্করা বাড়ার ভয়ে উৎসবের দিনেও অনেককে মন মরা হয়ে বসে থাকতে হয়। তবে এবার সেই দিন শেষ, কারণ রান্নাঘরের সামান্য কয়েকটি উপকরণেই লুকিয়ে রয়েছে আসল ম্যাজিক। সুগার না বাড়িয়েও কী ভাবে মন ভরে খাবেন তুলতুলে রসগোল্লা, রইল তারই রেসিপি।

Sugar-Free Rosogolla: চিনি ছাড়াই বানান তুলতুলে রসগোল্লা, মুখে দিলেই মিলিয়ে যাবে!
কীভাবে বানাবেন?
| Updated on: Oct 19, 2026 | 11:27 AM
Share

বাঙালির উৎসব মানেই তো মিষ্টিমুখ। আর রসগোল্লা ছাড়া বাঙালির কোনও উদ্‌যাপনই যেন সম্পূর্ণ হয় না। কিন্তু সমস্যা হল, যাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি, তাঁদের জন্য এই উৎসবের সময়টা বেশ মন খারাপের। ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে মানেই মিষ্টির সঙ্গে সম্পর্ক কার্যত শেষ। চোখের সামনে থরে থরে লোভনীয় মিষ্টি সাজানো থাকলেও, সে দিকে হাত বাড়ানোর জো নেই। একটুখানি মিষ্টি মুখে দিলেই সুগার বাড়ার ভয়। কিন্তু তাই বলে কি রসগোল্লা খাওয়ার সাধ কখনও মিটবে না? নিশ্চয়ই মিটবে! একটু বুদ্ধি খাটালেই এই সমস্যার সমাধান লুকিয়ে রয়েছে আপনার রান্নাঘরেই। এবার উৎসবের দিনে আর মনঃকষ্ট নয়। বাড়িতেই খুব সহজে বানিয়ে ফেলুন চিনি ছাড়া তুলতুলে রসগোল্লা।

অনেকেই মনে করেন চিনি ছাড়া মিষ্টির স্বাদ বোধহয় ভালো হয় না। এই ধারণা কিন্তু একেবারেই ভুল। স্বাস্থ্যকর বিকল্প ব্যবহার করে বাড়িতে তৈরি এই রসগোল্লা স্বাদে কোনও অংশে দোকানের চেয়ে কম নয়। বরং নিজে হাতে বানানো বলে এর গুণগত মান নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা যায়। আর ডায়াবেটিক রোগীরাও নিশ্চিন্তে এই মিষ্টির স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে বানাবেন এই সুস্বাদু সুগার-ফ্রি রসগোল্লা।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

১ কাপ খাঁটি ছানা

১ চা চামচ স্টিভিয়া বা চিনির যে কোনও স্বাস্থ্যকর বিকল্প

১ চা চামচ ময়দা

আধ চা চামচ সুজি

সামান্য এলাচ গুঁড়ো (সুন্দর গন্ধের জন্য)

এক চিমটে বেকিং পাউডার

তৈরির সহজ পদ্ধতি:

পদ্ধতিটি বেশ সহজ, তবে একটু ধৈর্য ধরে করতে হবে। প্রথমে ছানার জল খুব ভালো করে ঝরিয়ে নিতে হবে। একটি পাতলা সুতির কাপড়ে ছানা বেঁধে সারা রাত ঝুলিয়ে রাখতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। জল পুরোপুরি ঝরে গিয়েছে নিশ্চিত হওয়ার পর, ছানাটিকে কিছুক্ষণ হাওয়ায় শুকিয়ে নিন।

এর পর একটি বড় পাত্রে ছানা নিয়ে হাতের তালু দিয়ে খুব মিহি করে মাখতে থাকুন। ছানা মাখার উপরেই কিন্তু রসগোল্লার নরম হওয়া নির্ভর করে। ছানা মসৃণ হয়ে এলে এর সঙ্গে ময়দা, এলাচ গুঁড়ো, সুজি এবং বেকিং পাউডার খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। পুরো মিশ্রণটি থেকে ছোট ছোট ১০-১২টি বল বা গোল্লা পাকিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন বলগুলোর গায়ে যেন কোনও ফাটল না থাকে।

এ বার অন্য একটি পাত্রে তিন কাপ জল গরম করতে দিন। জল ফুটে উঠলে তাতে ছানার বলগুলো সাবধানে ছেড়ে দিন। পাত্রটি ঢাকা দিয়ে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে। জল কমে এলে মাঝে মাঝে সামান্য গরম জল যোগ করতে পারেন। বলগুলো ফুলে উঠলে বুঝতে পারবেন রসগোল্লা তৈরি হয়ে গিয়েছে।

রসগোল্লা সেদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ বন্ধ করে দিন। অন্য একটি পাত্রে সামান্য গরম জলের সঙ্গে স্টিভিয়া বা চিনির বিকল্পটি ভালো করে মিশিয়ে একটি হালকা মিষ্টি রস তৈরি করুন। তৈরি হওয়া রসগোল্লাগুলো সেই রসে ডুবিয়ে রাখুন। অন্তত পাঁচ থেকে ছ’ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন, যাতে রসগোল্লার ভিতরে মিষ্টি স্বাদ ভালোভাবে পৌঁছতে পারে।

ব্যাস, আপনার চিনি ছাড়া নরম আর স্পঞ্জি রসগোল্লা একেবারে তৈরি! এই উৎসবের মরশুমে ডায়াবেটিস রোগীদের মুখে হাসি ফোটাতে রেসিপিটি একবার ট্রাই করে দেখতেই পারেন।

Follow Us