Zombie Walk: শহরের রেলস্টেশনে ঘুরে বেড়াচ্ছে মৃতের দল, বলছে ‘গণপরিবহন ব্যবহার করুন’

Jakarta: ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তাতে প্রায় ৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত 'কম্পি জম্বি'। ২০১২ সালে গঠিত হয় এই জম্বি কমিউনিটি।

| Edited By: megha

Sep 08, 2022 | 3:08 PM

ধরুন আপনি লোকাল ট্রেন ধরতে রেলস্টেশন গেলেন। স্টেশনে যেতেই আপনার পা ধরে টানতে শুরু করছে জম্বি। শুনতে অবাক লাগছে? কিন্তু এই ঘটনা বাস্তবে ঘটেছে জাকার্তায়। জাকার্তার রেলওয়ে স্টেশনে ঘুরে বেড়াচ্ছে ‘জ্যান্ত’ মৃত মানুষ, অর্থাৎ জম্বি। রেলওয়ে স্টেশনে আড্ডা দিচ্ছে এই ‘জ্যান্ত’ মৃতের দল। তাদের মধ্য দিয়েই ট্রেনগুলোকে সুরক্ষিতভাবে নিয়ে আসছে জাকার্তার লাইট র‍্যাপিড ট্রানজিট অপারেটর।

গত মাস থেকে জাকার্তার লাইট রেল অপারেটর পিটি এলআরটি এবং ‘প্যানডোরা বক্স’ মিলে শুরু করেছে ‘ট্রেন টু অ্যাপোক্যালিপস’। এই ‘ট্রেন টু অ্যাপোক্যালিপস’-এর উদ্দেশ্য হল তরুণ প্রজন্মকে গণপরিবহন ব্যবহারের জন্য উৎসাহিত করা। ‘ট্রেন টু অ্যাপোক্যালিপস’ ইভেন্টের মাধ্যমে রেলস্টেশনে ঘুরে বেড়াচ্ছে জম্বি। এই ‘প্যানডোরা’ হল এক প্রকার ভাইরাস, যা মানুষকে জ্যান্ত মৃতদেহে পরিণত করেছে—এভাবে কাজ করছে ‘প্যানডোরা বক্স’। ‘ট্রেন টু অ্যাপোক্যালিপস’-এর অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে ২০১৬ সালের দক্ষিণ কোরিয়ার ‘ট্রেন টু বুসান’ সিনেমা থেকে।

৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের বাস জাকার্তাতে। কিন্তু সেই অর্থে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করেন না সাধারণ মানুষ। ফলে শহরে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এই কারণে জম্বি কমিউনিটির সাহায্য নিয়ে তরুণ প্রজন্মের বার্তা পাঠানো হচ্ছে: গণপরিবহন ব্যবহার করুন।

ছেঁড়া পোশাকে ঘুরে বেড়াচ্ছে একদল মানুষ। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সেনাদের পোশাক পরা। কারও চোখ সাদা, কারও চোখ রক্তমাখা। সারা শরীর ক্ষত-বিক্ষত। এরাই হল জাকার্তার কম্পি জম্বি। আর এটাই হল জাকার্তার জম্বি ক্যালচার।

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তাতে প্রায় ৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত ‘কম্পি জম্বি’। ২০১২ সালে গঠিত হয় এই জম্বি কমিউনিটি। এই দলের প্রত্যেক সদস্যই হলেন জম্বি প্রেমী। জাকার্তার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার আরও অনেক শহরে এই জম্বি কমিউনিটি সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

কিন্তু জম্বি লুক তৈরি করা তো আর সহজ কাজ নয়। সিনেমা, সিরিজে আমরা জম্বির যে লুক দেখে অভ্যস্ত তা বাস্তবে তৈরি করতেও বেশ পরিশ্রম করতে হয়। এই ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন মেকআপ আর্টিস্টরা। এই শিল্পীরা বিশেষভাবে শুধু জম্বি লুক তৈরি করেন।

জম্বি লাভার হলেই যে ‘কম্পি জম্বি’-র সদস্য হওয়া যাবে তা কিন্তু নয়। ‘কম্পি জম্বি’-র সদস্য হতে গেলে আপনাকে প্রথমে একটা ছোট্ট পরীক্ষা দিতে হবে। সেই পরীক্ষা পাশ করলে এন্ট্রি মিলবে জম্বি কমিউনিটিতে। এছাড়াও কম্পি জম্বির প্রত্যেক সদস্যদের জম্বি আচরণ করার জন্য বিশেষ ট্রেনিং নিতে হয়। তবেই তো মনে হয় যেন স্ক্রিন থেকে রাজপথে উঠে এসেছে ‘জ্যান্ত’ জম্বি।

বাস্তব জীবনে জম্বি হওয়ার অভিজ্ঞতা কম্পি জম্বির সদস্যদের কাছে একটু অন্যরকম। ‘কম্পি জম্বি’-র সদস্যদের বক্তব্য বাস্তব জীবনে জম্বি হয়ে তাঁদের জীবন বদলে গিয়েছে। তাঁরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন। এমনকী অনেকে মনে করেন আসল চেহারার চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয় তাঁদের জম্বি লুক।

ধরুন আপনি লোকাল ট্রেন ধরতে রেলস্টেশন গেলেন। স্টেশনে যেতেই আপনার পা ধরে টানতে শুরু করছে জম্বি। শুনতে অবাক লাগছে? কিন্তু এই ঘটনা বাস্তবে ঘটেছে জাকার্তায়। জাকার্তার রেলওয়ে স্টেশনে ঘুরে বেড়াচ্ছে ‘জ্যান্ত’ মৃত মানুষ, অর্থাৎ জম্বি। রেলওয়ে স্টেশনে আড্ডা দিচ্ছে এই ‘জ্যান্ত’ মৃতের দল। তাদের মধ্য দিয়েই ট্রেনগুলোকে সুরক্ষিতভাবে নিয়ে আসছে জাকার্তার লাইট র‍্যাপিড ট্রানজিট অপারেটর।

গত মাস থেকে জাকার্তার লাইট রেল অপারেটর পিটি এলআরটি এবং ‘প্যানডোরা বক্স’ মিলে শুরু করেছে ‘ট্রেন টু অ্যাপোক্যালিপস’। এই ‘ট্রেন টু অ্যাপোক্যালিপস’-এর উদ্দেশ্য হল তরুণ প্রজন্মকে গণপরিবহন ব্যবহারের জন্য উৎসাহিত করা। ‘ট্রেন টু অ্যাপোক্যালিপস’ ইভেন্টের মাধ্যমে রেলস্টেশনে ঘুরে বেড়াচ্ছে জম্বি। এই ‘প্যানডোরা’ হল এক প্রকার ভাইরাস, যা মানুষকে জ্যান্ত মৃতদেহে পরিণত করেছে—এভাবে কাজ করছে ‘প্যানডোরা বক্স’। ‘ট্রেন টু অ্যাপোক্যালিপস’-এর অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে ২০১৬ সালের দক্ষিণ কোরিয়ার ‘ট্রেন টু বুসান’ সিনেমা থেকে।

৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের বাস জাকার্তাতে। কিন্তু সেই অর্থে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করেন না সাধারণ মানুষ। ফলে শহরে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এই কারণে জম্বি কমিউনিটির সাহায্য নিয়ে তরুণ প্রজন্মের বার্তা পাঠানো হচ্ছে: গণপরিবহন ব্যবহার করুন।

ছেঁড়া পোশাকে ঘুরে বেড়াচ্ছে একদল মানুষ। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সেনাদের পোশাক পরা। কারও চোখ সাদা, কারও চোখ রক্তমাখা। সারা শরীর ক্ষত-বিক্ষত। এরাই হল জাকার্তার কম্পি জম্বি। আর এটাই হল জাকার্তার জম্বি ক্যালচার।

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তাতে প্রায় ৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত ‘কম্পি জম্বি’। ২০১২ সালে গঠিত হয় এই জম্বি কমিউনিটি। এই দলের প্রত্যেক সদস্যই হলেন জম্বি প্রেমী। জাকার্তার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার আরও অনেক শহরে এই জম্বি কমিউনিটি সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

কিন্তু জম্বি লুক তৈরি করা তো আর সহজ কাজ নয়। সিনেমা, সিরিজে আমরা জম্বির যে লুক দেখে অভ্যস্ত তা বাস্তবে তৈরি করতেও বেশ পরিশ্রম করতে হয়। এই ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন মেকআপ আর্টিস্টরা। এই শিল্পীরা বিশেষভাবে শুধু জম্বি লুক তৈরি করেন।

জম্বি লাভার হলেই যে ‘কম্পি জম্বি’-র সদস্য হওয়া যাবে তা কিন্তু নয়। ‘কম্পি জম্বি’-র সদস্য হতে গেলে আপনাকে প্রথমে একটা ছোট্ট পরীক্ষা দিতে হবে। সেই পরীক্ষা পাশ করলে এন্ট্রি মিলবে জম্বি কমিউনিটিতে। এছাড়াও কম্পি জম্বির প্রত্যেক সদস্যদের জম্বি আচরণ করার জন্য বিশেষ ট্রেনিং নিতে হয়। তবেই তো মনে হয় যেন স্ক্রিন থেকে রাজপথে উঠে এসেছে ‘জ্যান্ত’ জম্বি।

বাস্তব জীবনে জম্বি হওয়ার অভিজ্ঞতা কম্পি জম্বির সদস্যদের কাছে একটু অন্যরকম। ‘কম্পি জম্বি’-র সদস্যদের বক্তব্য বাস্তব জীবনে জম্বি হয়ে তাঁদের জীবন বদলে গিয়েছে। তাঁরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন। এমনকী অনেকে মনে করেন আসল চেহারার চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয় তাঁদের জম্বি লুক।

Follow Us