AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

দোলের আমেজে মাত্রাছাড়া ভাঙ? হ্যাংওভার কাটাতে মুশকিল আসান এই ঘরোয়া টোটকায়

তাই বারবার ঈষদুষ্ণ জল বা ডাবের জল পান করুন। এতে শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বেরিয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে নেশার ঘোর কাটতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাঙের নেশা কাটাতে টক জাতীয় খাবার অত্যন্ত কার্যকর। লেবু চাটা ছাড়াও কমলালেবু বা তেঁতুলের জল সেবন করা যেতে পারে। আসলে টক জাতীয় খাবারে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নেশা সৃষ্টিকারী রাসায়নিকের প্রভাব কমিয়ে দেয়।

দোলের আমেজে মাত্রাছাড়া ভাঙ? হ্যাংওভার কাটাতে মুশকিল আসান এই ঘরোয়া টোটকায়
Image Credit: Image Credit source: Getty Images
| Updated on: Mar 03, 2026 | 7:23 PM
Share

রঙের উৎসব দোল মানেই আবির, হুল্লোড় আর পারস্পরিক সম্প্রীতি। এই দিন পুরনো সব তিক্ততা ভুলে মানুষ মেতে ওঠে আনন্দের জোয়ারে। দেশের বহু জায়গায় দোলের এই খুশিকে দ্বিগুণ করতে ভাঙ সেবনের এক দীর্ঘদিনের প্রথা রয়েছে। ঠান্ডাই, পকোড়া কিংবা মিষ্টির মাধ্যমে ভাঙের স্বাদ নিতে গিয়ে অনেকেই পরিমাণের কথা ভুলে যান। আর তার জেরেই পরের দিন শুরু হয় প্রচণ্ড মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, অস্বস্তি এবং তীব্র তৃষ্ণা।

যদি এই দোলে আপনারও ভাঙের নেশা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়, তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আজকের প্রতিবেদনে রইল এমন কিছু ঘরোয়া উপায়, যার মাধ্যমে দ্রুত কাটবে হ্যাংওভার এবং মিলবে শারীরিক স্বস্তি।

ভাঙ সেবনের ফলে শরীরে জলশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন তৈরি হয়, যা মাথাব্যথা ও দুর্বলতার প্রধান কারণ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে শরীরকে হাইড্রেট রাখা জরুরি। তাই বারবার ঈষদুষ্ণ জল বা ডাবের জল পান করুন। এতে শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বেরিয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে নেশার ঘোর কাটতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাঙের নেশা কাটাতে টক জাতীয় খাবার অত্যন্ত কার্যকর। লেবু চাটা ছাড়াও কমলালেবু বা তেঁতুলের জল সেবন করা যেতে পারে। আসলে টক জাতীয় খাবারে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নেশা সৃষ্টিকারী রাসায়নিকের প্রভাব কমিয়ে দেয়।

এক গ্লাস হালকা গরম জলে লেবুর রস ও সামান্য মধু মিশিয়ে খেলে শরীরে সতেজতা ফেরে। এটি পেটের অস্বস্তি কমায় এবং ভাঙের প্রভাব দ্রুত কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। ভাঙের নেশা অনেক সময় পেটের ওপর কুপ্রভাব ফেলে। পেট ঠান্ডা রাখতে দই বা ঘোল খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। এটি পেটের জ্বালাভাব এবং ভারী ভাব দূর করতে সাহায্য করে। হ্যাংওভারের অবস্থায় ভাজাভুজি বা মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। পরিবর্তে খিচুড়ি, ওটস, ফল বা স্যুপের মতো হালকা খাবার খান। এতে শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি পাবে এবং আলস্য কাটবে।