
ভালোবাসার মরশুমে চকোলেট ডে মানেই শুধু চকোলেট আদান-প্রদান নয় এই দিনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আবেগ, স্মৃতি। ভালোবাসার সম্পর্ককে আরও মিষ্টি করে তোলার দিন চকোলেট ডে। আগে যেখানে সাধারণ চকোলেট বক্সই ছিল ভ্যালেন্টাইন উইকের প্রধান আকর্ষণ, সেখানে এবার ট্রেন্ডে এসেছে পার্সোনালাইজড, ক্রিয়েটিভ ও ডিজিটাল-টাচযুক্ত রোম্যান্টিক গিফট। শহরের ক্যাফে, অনলাইন স্টোর ও হোমগ্রোন চকোলেট ব্র্যান্ডগুলির মতে, এ বছর চকোলেট ডে উপলক্ষে এই ধরনের চকোলেট এর চাহিদা বেড়েছে।
এই বছর বিশেষভাবে নজর কেড়েছে “কলকাতা থিম” চকোলেট কালেকশন। হাওড়া ব্রিজের ছায়া, ট্রামের স্মৃতি, ভিক্টোরিয়ার নস্টালজিয়া সব মিলিয়ে চকোলেট বক্স যেন হয়ে উঠছে শহরের প্রেমের প্রতীক। ব্যবসায়ীদের কথায়, লোকাল কালচার আর রোমান্টিক ভাবনার মেলবন্ধনই এই ট্রেন্ডকে জনপ্রিয় করেছে। তাই এইরকম উপহার এই চকোলেট ডে তে দিতেই পারেন নিজের ভালোবাসার মানুষকে।
ডিজিটাল যুগে প্রেমও হয়েছে আরও স্মার্ট। অনেক ব্র্যান্ড এবার চালু করেছে QR কোড-এনেবেলড চকোলেট গিফট। প্রিয়জন চকোলেটের সঙ্গে পাচ্ছেন একটি কোড—স্ক্যান করলেই খুলে যাচ্ছে একটি কাস্টম লাভ ভিডিও, ভয়েস নোট কিংবা ডিজিটাল প্রেমপত্র। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তালমিলিয়ে পছন্দের মানুষকে দিতেই পারেন এই উপহার।
আরও একটি নতুন ট্রেন্ড হিসেবে উঠে এসেছে “মুড-ভিত্তিক চকোলেট”। প্রেমের নানা রকম অনুভূতির মিশেল দিয়ে ভালোবাসার মানুষকে দিতেই পারেন কাষ্টমাইজ এই চকোলেট। তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে “চকোলেট মেমরি জার”—একটি সুন্দর জারে রাখা ছোট ছোট হাতে লেখা নোট, তাতে লিখতে পারেন নিজেদের স্মৃতি, ভবিষ্যতের জন্য দেখা স্বপ্নের কথা।
স্বাস্থ্য সচেতন প্রেমিক-প্রেমিকারাও পিছিয়ে নেই। বাজারে বাড়ছে ডার্ক চকোলেট, সুগার-ফ্রি ও ভেগান চকোলেট গিফটের চাহিদা। তাই ভালোবাসার মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন হলেও এই দিনের উপহারের ক্ষেত্রে একেবারেই চিন্তা করতে হবে না।
AI-ডিজাইন করা প্রেমজুটির চকোলেট প্যাকেজিং এখন ভীষণ ট্রেন্ডিং। যুগলের ছবি থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি হচ্ছে আর্টওয়ার্ক, যা চকোলেট বক্সে প্রিন্ট করে দিতে পারেন জীবন সঙ্গীকে।