রোজ আখরোট খান? জানেন ব্রেনে কিভাবে প্রভাব ফেলছে?
এছাড়াও, আখরোটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও পলিফেনলস রয়েছে, যা মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, স্মৃতিশক্তি হ্রাস এবং আলঝাইমারের মতো রোগের একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে ধরা হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আখরোট মস্তিষ্কের কোষে ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে এবং কোষের সুরক্ষা বাড়ায়।

বর্তমানে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং মানসিক চাপ বেড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা যাচ্ছে ঘরে ঘরে। দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে থাকা, অনিয়মিত ঘুম এবং খারাপ খাদ্যাভ্যাস মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে গবেষকরা মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার জন্য পুষ্টিকর ও প্রাকৃতিক খাদ্যগ্রহণকেই আদর্শ বলে মনে করছেন। যার মধ্যে অন্যতম হলো আখরোট বা ওয়ালনাটস।
কেন নিজের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখবেন ওয়ালনাটকে?
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আখরোটে থাকা গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানগুলো মস্তিষ্কের কোষকে সুরক্ষা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে নিয়মিত আখরোট গ্রহণ করলে স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়, শেখার ক্ষমতা বাড়ে এমনকী নিউরোডিজেনারেটিভ রোগের ঝুঁকিও কমতে পারে।
গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, আখরোটে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (ALA) স্নায়ুকোষের গঠন ও কার্যকারিতা শক্তিশালী করে । এই উপাদান ব্রেণ ভালো রাখার ক্ষেত্রেও বেশ কার্যকরী।
এছাড়াও, আখরোটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও পলিফেনলস রয়েছে, যা মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, স্মৃতিশক্তি হ্রাস এবং আলঝাইমারের মতো রোগের একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে ধরা হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আখরোট মস্তিষ্কের কোষে ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে এবং কোষের সুরক্ষা বাড়ায়।
আরও কিছু পরীক্ষায় প্রমাণ মিলেছে যে, আখরোট খেলে তরুণ ও বয়স্ক উভয়েরই স্মৃতিশক্তি বাড়ে।
কীভাবে খাবেন আখরোট?
প্রতিদিন ৩–৫ ভেজানো আখরোট খেতে পারেন। দই, ওটস বা সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন আখরোট। হালকা স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া যেতে পারে আখরোট। তবে যাদের বাদামে অ্যালার্জি রয়েছে বা বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
