Egg nutrition: ওজনও কমবে পেশিও বাড়বে! রোজ এভাবে খান ডিম
Whole eggs vs egg whites: জিমে গিয়ে বডি বানানো হোক বা মেদ ঝরানো, ডায়েটে ডিম মাস্ট! কিন্তু কুসুম সমেত খাবেন নাকি শুধু সাদা অংশ? জেনে নিন সহজ সমাধান। কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

ডিম (Egg) মানেই প্রোটিনের খনি। যাঁরা ওজন কমাতে চান বা জিমে গিয়ে পেশি বানাতে চান, তাঁদের রোজকার ডায়েটে ডিম থাকবেই। কিন্তু একটা বড় প্রশ্ন প্রায়ই ঘোরে, পুরো ডিম খাওয়া ভালো, নাকি শুধু সাদা অংশটা? এই নিয়ে চিন্তার শেষ নেই।
কুসুম খাবেন নাকি বাদ দেবেন?
ডিমের সাদা অংশে থাকে ভরপুর প্রোটিন। আর কুসুমের মধ্যে প্রোটিনের সঙ্গে থাকে ভিটামিন ডি, বি ভিটামিন, ফ্যাট এবং অন্যান্য দরকারি পুষ্টিগুণ। আপনি যদি কুসুম বাদ দিয়ে দেন, তবে এই পুষ্টিগুলোও কিন্তু বাদ পড়ে যায়। তবে যাঁদের মেপে ক্যালোরি খেতে হয়, তাঁরা পুষ্টিবিদের পরামর্শে শুধু সাদা অংশটা বেছে নিতে পারেন।
মেদ ঝরাতে কোনটা সেরা?
অনেকেই ভাবেন, ওজন কমাতে হলে বুঝি কুসুম খাওয়া একেবারেই নিষেধ! এমন কোনও ধরাবাঁধা নিয়ম কিন্তু নেই। ওজন কমানোর ব্যাপারটা নির্ভর করে আপনি সারাদিন কী খাচ্ছেন এবং কতটা ব্যায়াম করছেন, তার উপর। তবে হ্যাঁ, ডিমের সাদা অংশে ক্যালোরি আর ফ্যাট বেশ কম থাকে। তাই যাঁরা ক্যালোরি মেপে খান, তাঁরা ডায়েটে নিশ্চিন্তে বেশি করে সাদা অংশ রাখতে পারেন।
পেশি তৈরির ক্ষেত্রে কী বলছে গবেষণা?
পেশি বানাতে শুধু ডিম খেলেই হবে না, সঙ্গে চাই সঠিক মাত্রায় ব্যায়াম। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ব্যায়ামের পর পুরো ডিম খেলে পেশির গঠন অনেক বেশি দ্রুত হয়। আবার ১২ সপ্তাহের অন্য একটি বড় গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পুরো ডিম বা শুধু সাদা অংশ, দুটোতেই পেশির বৃদ্ধিতে প্রায় একই রকম ফল মেলে।
তাহলে খাবেন কোনটা?
আপনার যদি শুধুই প্রোটিন দরকার হয় আর ক্যালোরি কমানো লক্ষ্য হয়, তবে সাদা অংশ খান। আর যদি সব পুষ্টি একসঙ্গে পেতে চান, তবে পুরো ডিম খাওয়া সবচেয়ে ভালো। সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হল, দুটো মিলিয়ে খাওয়া। যেমন ধরুন, দুটো পুরো ডিমের সঙ্গে একটা বা দুটো ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন।
শুধু ডিমেই কি কাজ হবে?
পেশি বাড়াতে বা ওজন কমাতে শুধু ডিমের উপর ভরসা করে থাকলে চলবে না। ডাল, দুধ, দই, মাছ বা মাংসও প্রোটিনের দারুণ উৎস। এগুলিও রোজকার খাবারে রাখতে হবে।
মনে রাখবেন, “ওজন কমাতে ৫টা সাদা অংশ, আর পেশি বাড়াতে ২টো পুরো ডিম”— এমন কোনও জাদুকরী নিয়ম নেই। আপনার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন। ডায়েটে বড় কোনও বদল আনার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
