e কেমন হওয়া উচিত হবু মায়েদের খাদ্যতালিকা? কী সতর্কবার্তা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? - Bengali News | Why pregnancy nutrition must be personalised for every mother - TV9 Bangla News

কেমন হওয়া উচিত হবু মায়েদের খাদ্যতালিকা? কী সতর্কবার্তা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সময় দেখা যায় কোনও মায়ের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, আবার অন্য জনের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি কম। কারও ডায়াবেটিস বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকতে পারে, আবার কেউ গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ওজন বাড়ার সমস্যায় ভোগেন। এই সব বিষয় মাথায় না রেখে যদি সবার জন্য একই খাবারের তালিকা দেওয়া হয়, তাহলে উপকারের বদলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কেমন হওয়া উচিত হবু মায়েদের খাদ্যতালিকা? কী সতর্কবার্তা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা?

Jan 30, 2026 | 6:43 PM

গর্ভাবস্থায় অনেক হবু মায়েরাই কী খাবেন বুঝতে পারেন না। আবার অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য হবু মায়েদের দেখে খাবার রুটিন ঠিক করেন। গর্ভাবস্থা মানেই শুধু বেশি খাওয়া নয়, বরং সঠিক খাবার সঠিক পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূ্র্ণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিটি গর্ভবতী মায়ের শরীরের গঠন আলাদা হওয়ায় গর্ভাবস্থায় পুষ্টির চাহিদাও আলাদা হয়। তাই একটাই খাদ্যতালিকা বা একটাই নিয়ম সব মায়ের জন্য কার্যকর হয় না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং একাধিক আন্তর্জাতিক গবেষণায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, গর্ভাবস্থায় মায়ের বয়স, ওজন, পূর্ববর্তী রোগ, রক্তস্বল্পতা, হরমোনের অবস্থা ও জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করে খাবারের রুটিন তৈরি না হলে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

কেন আলাদা পুষ্টি পরিকল্পনা প্রয়োজন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সময় দেখা যায় কোনও মায়ের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, আবার অন্য জনের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি কম। কারও ডায়াবেটিস বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকতে পারে, আবার কেউ গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ওজন বাড়ার সমস্যায় ভোগেন। এই সব বিষয় মাথায় না রেখে যদি সবার জন্য একই খাবারের তালিকা দেওয়া হয়, তাহলে উপকারের বদলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সঠিক পুষ্টি রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে, ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে এবং প্রি-টার্ম ডেলিভারি বা কম ওজনের শিশুর জন্মের ঝুঁকি কমায়।

গর্ভাবস্থায় কোন কোন বিষয়ের দিকে নজর দেওয়া জরুরি? 

চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় পুষ্টি পরিকল্পনা করার সময় কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে দেখা প্রয়োজন। মায়ের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা, গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি ও ওজন, মায়ের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা, পূর্ববর্তী গর্ভধারণের ইতিহাস। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় ভিটামিনের মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত।