
বিহারের রাজনৈতিক পালাবদলে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন তেজস্বীপ্রসাদ যাদব। দিন দুয়েক আগেও ছিলেন বিরোধী দলনেতা, তিনিই এখন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী। ১৯৮৯ সালে জন্ম হওয়া তেজস্বী আজ দেশের রাজনৈতিক জগতের অন্যতম মুখ। যদিও একটা সময় ছিল যখন ক্রিকেট ছিল তেজস্বীর ধ্যানজ্ঞান। হতে চেয়েছিলেন দেশের নামী ক্রিকেটার। ভাগ্যদেবীর অবশ্য তাতে সায় ছিল না। (ছবি:টুইটার)

১১ বছর বয়স থেকে এমপি সিংয়ের ক্লাবে ক্রিকেটের কোচিংয়ের জন্য যেতেন তেজস্বী। প্র্যাকটিসের সময় নিরাপত্তারক্ষীদের মাঠের বাইরে রেখে আসতেন। যাতে অন্যদের মনোযোগের অভাব না হয়।(ছবি:টুইটার)

মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তেজস্বী মিডিয়াম পেস বোলিংটাও করতেন। ২০০৯ সালে ঝাড়খণ্ডের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রবেশ তেজস্বীপ্রসাদের। ত্রিপুরার বিরুদ্ধে টি-২০ ম্যাচে। ওই ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি। সেবছরই বিদর্ভের বিরুদ্ধে রঞ্জি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পান। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেননি। প্রথম ইনিংসে ১ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯ রান করেন। (ছবি:টুইটার)

স্বল্পদিনের ক্রিকেট কেরিয়ারে তেজস্বী খেলেছেন সাতটি ম্যাচ। একটি রঞ্জি, একটি প্রথম শ্রেণির এবং তিনটি টি-২০ ম্যাচ। সর্বোচ্চ রান ৩৭ এবং সর্বাধিক ১টি উইকেট।(ছবি:টুইটার)

একটা সময় কোটিপতি লিগের অংশ ছিলেন তেজস্বী যাদব। ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত চারটি মরসুমে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস (দিল্লি ক্যাপিটালস) টিমের সদস্য ছিলেন। যদিও এই চার মরসুমে একটিবারের জন্যও মাঠে নামার সুযোগ পাননি।(ছবি:টুইটার)

দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গেও খেলেছেন লালু-পুত্র। দিল্লির অনূর্ধ্ব ১৭ এবং অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেট টিমে বিরাটের সতীর্থ ছিলেন।(ছবি:টুইটার)

ক্রিকেট কেরিয়ারে সাফল্য পাননি। রাজনীতিতে এসে ভাগ্য বদলেছেন নিজেই। প্লাস্টিকের চেয়ারকে উইকেট বানিয়ে ৩২ বছরের তেজস্বী এখনও মাঝেমধ্যে ব্যাট নিয়ে নেমে পড়েন। বাইশ গজে নয়, বাড়ির উঠোনে। (ছবি:টুইটার)