সদ্য অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছেন এলিস পেরি। ভারতের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ম্যাচে ৩১ বছরের এলিসের অসাধারণ ফিল্ডিং এখনও চোখে লেগে ক্রিকেট অনুরাগীদের। (ছবি:টুইটার)
ক্রিকেট ও ফুটবল দুটিই সমান তালে খেলেন। শুধু ফুটবল খেলতে ভালোবাসেন এমনটা নয়। ফুটবলেও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এমনকী মেয়েদের ফিফা বিশ্বকাপেও খেলেছেন এলিস। (ছবি:টুইটার)
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে ক্রিকেট ও ফুটবল দুটিতেই জাতীয় দলে অভিষেক হয় এলিসের। তিনিই প্রথম অস্ট্রেলিয়ান মহিলা খেলোয়াড় যিনি ক্রিকেট ও ফুটবল দুটি বিশ্বকাপেই খেলেছেন। (ছবি:টুইটার)
২০০৭ সালে মাত্র এক মাসের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ফুটবল ও ক্রিকেট দলে অভিষেক হয় পেরির। শুরুটা হয়েছিল ক্রিকেট দিয়ে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে দুই উইকেট নিয়েছিলেন। ১৯ রানও করেন এই অলরাউন্ডার।(ছবি:টুইটার)
সেই বছর ৪ অগস্ট হংকংয়ের বিরুদ্ধে প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ খেলতে নেমে প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছিলেন। ৮-১ ব্যবধানে জয়ের সেই ম্যাচে ডিফেন্ডার হয়েও করেছিলেন একটা গোল।(ছবি:টুইটার)
তবে দুটি খেলা একসঙ্গে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই ২০১৩ সালের পর থেকে শুধুমাত্র ক্রিকেট খেলেন এলিস। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৮টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করে দুটি গোল করেছেন। তার মধ্যে একটি গোল বিশ্বকাপের মঞ্চে। (ছবি:টুইটার)
ক্রীড়া ইতিহাসের প্রথম মহিলা হলেন এলিস পেরি যিনি ক্রিকেট ও ফুটবল দুটিতেই দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন। (ছবি:টুইটার)
এখানেই শেষ নয়, অস্ট্রেলিয়ার একটি স্থানীয় টিভি এবং রেডিও চ্যানেলে খেলাধুলার বিষয়ক অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেছেন। এলিসের পড়াশোনা সমাজ বিজ্ঞান ও অর্থনীতি নিয়ে। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত তিনি। (ছবি:টুইটার)
এলিসের প্রতিভা নিয়ে গান বাঁধা হয়েছে। নাম 'দ্য এলিস পেরি সং'। গানের কথাগুলো এরকম, "তিনিই সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিভাবান মানুষ। তিনি জ্যাক কালিস ও পেলের সংমিশ্রণ।" (ছবি:টুইটার)