
কোভিডের পর থেকেই একাধিক মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন। আগে যতটা না পরিশ্রম করতে পারতেন এখন একটু পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠেন। আগের মত আর পরিশ্রম করার ক্ষমতা নেই

এদিকে কাজের চাপ দিনের পর দিন যেন বেড়েই চলেছে। সময়মতো খাওয়া-ঘুম কোনওটাই হয় না। কম ঘুমের জন্য শরীরে একটা ক্লান্তি ভাব থাকেই। এছাড়াও এই ক্লান্তির নেপথ্যে থাকে আবহাওয়া

অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম কোনওটাই পরিশ্রমের উপযুক্ত নয়। সঙ্গে দূষণের প্রভাব তো আছেই। এছাড়াও আমরা যা খাই তার সবকিছুর মধ্যেই রয়েছে ভেজাল। এই ভেজালের কারণেও শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা যায়

বাজারে অনেক রকম প্রোটিন পাউডার পাওয়া যায়। এর মধ্যে চিনির ভাব থাকে বেশি। সেই সঙ্গে থাকে প্রিজারভেটিভও। যে কারণে বাজার থেকে কিনে প্রোটিন পাউডার না খাওয়াই ভাল। এছাড়াও এই পাউডার বানিয়ে নিতে পারেন বাড়িতেই

শুকনো প্যানে ২৫ গ্রাম নুন ছাড়া ভাজা ছোলা, বাদাম, ২৫ গ্রাম চারমগজ ১ মিনিট ভেজে নিয়ে একটা থালায় ঢেলে রাখুন। ২৫ গ্রাম কাজু আর আমন্ডও একই ভাবে নেড়ে চেড়ে নিতে হবে। একবাটি মাখানা রোস্ট করে নিন

সোয়াবিনের বীজ ২৫ গ্রাম নিয়ে নেড়ে নিন। এবার ৮ টা এলাচের দানা, ২ চামচ পোস্ত, ১ চামচ জোয়ান, ৪ চামচ ওটস শুকনো কড়াইতে নেড়ে নিন। এবার সব ঠান্ডা করতে কড়াইতে মেলে দিন

একে একে সব উপকরণ মিক্সিতে দিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এবার একটা চালুনিতে ফাইন পাউডার ছেঁকে নিন। যেটুকু থাকল তা আবার মিক্সিতে দিয়ে গুঁড়ো করে নিতে হবে। খুব ভাল করে সব কিছু চেলে নিয়ে ৩ চামচ গুঁড়োদুধ এই পাউডারে মিশিয়ে নিতে হবে

এই পাউডার বানিয়ে ৩ মাস পর্যন্ত স্টোর করা যেতে পারে। কাঁচের পাত্র হলে সবচাইতে ভাল। রোজ ব্রেকফাস্টের পর গরম দুধে ২ চামচ মিশিয়ে গান। ছোটরা এক চামচ মিশিয়ে খেলেই হবে। যাদের দুধে সমস্যা রয়েছে তারা গরম জলে ১ চামচ গুলে খান