কালো দাগ বা পিগমেন্টেশনের সমস্যা দূর করে এই কুমকুমাদি তেল। সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে প্রাকৃতিক গুণ সম্পন্ন এই কুমকুমাদি তেল।
এই তেলের নিয়মিত ব্যবহার ত্বকের কোষ পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে এবং বার্ধক্যের লক্ষণগুলিও কমাতে পারে।
ত্বকের চুলকানি ও জ্বালা-পোড়া কমাতে পারে এই তেল, কারণ এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং জীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্য।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ কুমকুমাদি তেল। এটি ত্বককে উজ্জ্বল করতে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কুমকুমাদির তেলে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরির গুণ, যা ব্রণর সমস্যা থেকে রেহাই দিতে সক্ষম।