
সক্কাল সক্কাল বাড়ি থেকে বেরিয়ে হইহুল্লোড় করে পিকনিক সেরে রাতেই আবার বাড়ি ফিরতে চাইলে কলকাতার কাছেপিঠের কয়েকটি জায়গায় যেতে পারেন।

কল্যাণীর পিকনিক গার্ডেন - কলকাতা থেকে বেশিদূরে নয় পিকনিকের এই লোকেশন। খরচও এখানে বেশি হবে না। বেশি ট্র্যাভেল করতে না চাইলে এখানে গিয়ে পিকনিক করতে পারেন। খেলার জায়গা রয়েছে এখানে, তাই বাচ্চাদের এ জায়গা পছন্দ হবে।

দেউলটি - কলকাতা থেকে বেশি দূরে নয় দেউলটি। হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেনে পৌঁছতে হবে দেউলটি। রূপনারায়ণের কূলে অবস্থিত দেউলটি পিকনিকের অন্যতম ভালো লোকেশন। শরৎচন্দ্রের গ্রামে যাওয়ার জন্য দেউলটি স্টেশন থেকে অটো ধরতে পারেন। এ ছাড়া সড়কপথে গাড়ি নিয়েও যেতে পারেন।

পানিত্রাস - কোলাঘাটের ঠিক আগেই দেউলটি। অনেকে শীতে পিকনিকের জন্য বা বেড়ানোর জন্য দেউলটিতে ভিড় করেন। সেখানে না গিয়ে পানিত্রাসেও যেতে পারেন। নদীর পাড়ে নিরিবিলিতে কেটে যাবে সারাদিন।

মায়াপুর - কলকাতার খুব কাছেই এই জায়গা। এটি ধর্মীয় স্থান। কিন্তু আশপাশে পিকনিক করার মতো প্রচুর জায়গায় রয়েছে। শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর ট্রেনে যেতে পারেন। সেখান থেকে টোটোতে করে হুলোর ঘাট। লঞ্চে করে নৌকো পেরিয়ে পৌঁছে যাবেন মায়াপুরে।

বুড়ুল - রায়পুরের গঙ্গার কাছে বুড়ুল। গঙ্গার ধারের এই জায়গা পিকনিকের জন্য বেশ ভালো। মনোরম পরিবেশে পিকনিক করলে অনেকেই মজা পাবেন।

বাকসি - হাওড়ার বাগনানের কাছে বাকসি। এই এলাকা পিকনিকের জন্য বিখ্যাত। বাগনান থেকে বাকসি যাওয়ার জন্য বাস পাওয়া যায়। কলকাতা থেকে এই জায়গায় পৌঁছতে বেশি সময় লাগে না।

গাদিয়াড়া - কলকাতার কাছেই রয়েছে এই পিকনিক স্পটটি। কলকাতা থেকে মাত্র ৮৫ কিলোমিটার দূরত্ব। এই জায়গায় পৌঁছতে সময় লাগবে আড়াই ঘণ্টা। গাদিয়াড়ায় রয়েছে গঙ্গা। মনোরম পরিবেশে পিকনিক জমে যাবে বলাই চলে।