Abhishek Chatterjee Demise: দাদা অভিষেকের আকস্মিক মৃত্যু, ছবি আঁকড়েই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা রচনার

Abhishek Chatterjee Demise: দাদার নিথর দেহের সামনে বসে বৃহস্পতিবার অঝোর ধারায় কেঁদে চলেছিলেন রচনা। চোখের নিচে কালি, শুকিয়ে যাওয়া জল-- কোনও কিছুতেই যেন ভ্রূক্ষেপ ছিল না তাঁর। শোক কিছুটা সামলেছেন, কিন্তু ক্ষত? তা ভরাট করার সাধ্যি কার? তবু জীবন তো থেমে থাকে না...

| Edited By: বিহঙ্গী বিশ্বাস

Mar 25, 2022 | 1:35 PM

1 / 6
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়- অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। দুজনের মধ্যে ছিল না রক্তের সম্পর্ক। তবু তাঁরা ছিলেন দাদা-বোন। যোগাযোগ ছিল আত্মার, বন্ধন ছিল মনের। দাদার নিথর দেহের সামনে বসে বৃহস্পতিবার অঝোর ধারায় কেঁদে চলেছিলেন রচনা। চোখের নিচে কালি, শুকিয়ে যাওয়া জল-- কোনও কিছুতেই যেন ভ্রূক্ষেপ ছিল না তাঁর। শোক কিছুটা সামলেছেন, কিন্তু ক্ষত? তা ভরাট করার সাধ্যি কার? তবু জীবন তো থেমে থাকে না...

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়- অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। দুজনের মধ্যে ছিল না রক্তের সম্পর্ক। তবু তাঁরা ছিলেন দাদা-বোন। যোগাযোগ ছিল আত্মার, বন্ধন ছিল মনের। দাদার নিথর দেহের সামনে বসে বৃহস্পতিবার অঝোর ধারায় কেঁদে চলেছিলেন রচনা। চোখের নিচে কালি, শুকিয়ে যাওয়া জল-- কোনও কিছুতেই যেন ভ্রূক্ষেপ ছিল না তাঁর। শোক কিছুটা সামলেছেন, কিন্তু ক্ষত? তা ভরাট করার সাধ্যি কার? তবু জীবন তো থেমে থাকে না...

2 / 6

বৃহস্পতিবার যখন সারা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে উথলে উঠেছিল শোক, রচনা চুপ ছিলেন। পোস্ট করেননি কিছুই। সাময়িক ধাক্কা কাটিয়ে উঠে শুক্রবার পোস্ট করেছেন অবশেষে। একগুচ্ছ ছবি আর সঙ্গে দুটি মাত্র লাইন।

3 / 6

রচনা লিখেছেন, "কোথায় তুমি চলে গেলে, এখনও অনেক কথা বাকি রয়ে গেল যে দাদা"। শেয়ার করেছেন হাসিহাসি মুখের ৪টে ছবি। যে ছবিতে দুশ্চিন্তার লেসমাত্র নেই, নেই মন্দলাগা, আছে শুধুই এক নিবিড় বন্ধন। কখনও অভিষেকের পরিবারের সঙ্গে রচনা আবার কখনও শুধু তিনি ও তাঁর দাদা।

4 / 6

ইন্ডাস্ট্রি সূত্রেই আলাপ দুজনের। কিন্তু সেই আলাপই যে আত্মীয়তাই মোড় নেবে তা কি প্রথম দিনে ভেবেছিলেন কেউই? একসঙ্গে কত ছবি, কাজের একগুচ্ছ স্মৃতি... আজ সত্যি সব আক্ষরিক অর্থেই স্মৃতি।

5 / 6

বৃহস্পতিবার নিথর দাদাকে দেখে একটানা একটা কথাই বলে যাচ্ছিলেন রচনা। তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে, কখনও মাথায় হাত বুলতে বুলতে বলছিলেন, “কী করে হতে পারে? আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আমার বাবার পর যে কয়েকজন মানুষ আমার সবচেয়ে কাছের ছিলেন, তার মধ্যে তুমিই তো একজন। এটা কী করে হতে পারে?” অভিষেকের স্ত্রী রচনার আদরের বৌদির দিকে তাকিয়েও কাঁদছিলেন অবিরাম।

6 / 6

থামানো যাচ্ছিল না তাঁকে। সান্ত্বনা? শোকের কাছে সে-ও বড় ঠুনকো। ইন্দ্রাণী-জয়জিৎ চেষ্টা করেছিলেন বটে, কিন্তু লাভ হয়নি। রচনার বুক জুড়ে তখন স্বজনহারার শোক। কিছুদিন আগেই বাবাকে হারিয়েছেন, আবারও এক বড় ধাক্কা। তবু ওই যে সময় সব কিছু ঠিক করে দেয়। এই ক্ষতের প্রলেপ কি ঠিক করতে পারবে সে? উত্তর তার কাছেই লুকিয়ে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us