AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Raksha Bandhan 2026: রাখি পূর্ণিমায় চন্দ্রগ্রহণ! ভাইয়ের হাতে কি আদৌ রাখি বাঁধা যাবে? কী বলছেন জ্যোতিষবিদরা?

Lunar Eclipse on Rakhi 2026: রাখিবন্ধনের দিনই আকাশে ঘটতে চলেছে এক বড় ঘটনা! টানা ৫ ঘণ্টার চন্দ্রগ্রহণের ছায়া কি তবে ফিকে করে দেবে ভাই-বোনের এই বিশেষ উৎসব? ভাইয়ের হাতে রাখি বাঁধা যাবে তো, নাকি সূতক কালের নিয়মে ভেস্তে যাবে সব পরিকল্পনা? কী বলছেন জ্যোতিষবিদরা?

Raksha Bandhan 2026: রাখি পূর্ণিমায় চন্দ্রগ্রহণ! ভাইয়ের হাতে কি আদৌ রাখি বাঁধা যাবে? কী বলছেন জ্যোতিষবিদরা?
কী বলছেন জ্যোতিষবিদরা?Image Credit: Getty Images
| Updated on: Jul 30, 2026 | 4:18 PM
Share

বছরের অন্যতম সুন্দর উৎসব হল রাখিবন্ধন। ভাই আর বোনের ভালোবাসার এই দিনটার জন্য সবাই পুরো বছর ধরে পথ চেয়ে বসে থাকেন। কিন্তু ২০২৬ সালের রাখিবন্ধন শুধুই ভালোবাসার উৎসব হয়ে থাকছে না, এর সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে মহাকাশের এক বিরল ঘটনাও! আগামী ২৮ অগাস্ট, শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হবে রাখিবন্ধন। ঠিক ওই দিনেই আকাশে ঘটতে চলেছে বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse)।

খবরটা ছড়িয়ে পড়তেই ভাই-বোনদের মনে দানা বাঁধছে একরাশ উদ্বেগ। গ্রহণের দিনে কি ভাইকে রাখি বাঁধা ঠিক হবে? পুজো-আচ্চা কি বন্ধ রাখতে হবে? নাকি গ্রহণের জেরে উৎসবে পড়বে অশুভ ছায়া? মনের মধ্যে এসব প্রশ্ন আসা খুব স্বাভাবিক।

মহাকাশবিজ্ঞান আর জ্যোতিষ শাস্ত্রের হিসেব বলছে, ২৮ অগাস্টের এই চন্দ্রগ্রহণটি সাধারণ কোনও গ্রহণ নয়। এটি একটি আংশিক চন্দ্রগ্রহণ, যা প্রায় ৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ধরে চলবে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সকাল ৬টা ৫২ মিনিটে এই গ্রহণ শুরু হবে এবং শেষ হবে দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে। এই দীর্ঘ সময়ে পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদের একটা অংশ পুরোপুরি ঢেকে যাবে। ফলে চাঁদের রঙ বদলে কখনও তামাটে, আবার কখনও একদম লালচে হয়ে উঠবে। চলতি ভাষায় একেই বলা হয় ‘ব্লাড মুন’ বা রক্তিম চাঁদ। জ্যোতিষীদের মতে, আকাশমণ্ডলে যখন এই তোলপাড় চলবে, তখন চন্দ্রদেবের অবস্থান থাকবে কুম্ভ রাশি এবং শতভিষা নক্ষত্রে।

এখন আসল প্রশ্ন, তাহলে কি এই বছর রাখি বাঁধার পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে?

এখানেই রয়েছে আসল চমক! ভারতীয় বোনদের জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর হলো, এই চন্দ্রগ্রহণ কিন্তু ভারত থেকে একেবারেই দেখা যাবে না। এটি মূল দেখা যাবে আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা এবং আটলান্টিক মহাসাগরের আশেপাশের দেশগুলো থেকে। হিন্দু ধর্মে আর জ্যোতিষশাস্ত্রে একটা স্পষ্ট নিয়ম রয়েছে, গ্রহণ যদি খালি চোখে নিজের দেশ থেকে দেখা না যায়, তবে তার কোনো ‘সূতক কাল’ (Sutak Kaal) বা অশুভ প্রভাব সেই দেশে প্রযোজ্য হয় না।

তাই ভয় পাওয়ার বা চিন্তা করার কোনো দরকার নেই। এই গ্রহণের কারণে আপনাদের রাখি উৎসবে এতটুকু বাধা আসবে না। সকাল থেকেই বোনেরা আনন্দে মেতে উঠতে পারেন, ভাইকে মিষ্টি খাওয়াতে পারেন, কপালে তিলক কেটে হাতে রাখি বেঁধে দিতে পারেন। সব নিয়ম-কানুন একদম স্বাভাবিকভাবেই মানা যাবে।

তবে হ্যাঁ, চন্দ্রগ্রহণের ভয় কেটে গেলেও আরও একটা জিনিসের দিকে কিন্তু নজর রাখতে হবে। সেটি হলো ‘ভদ্রাকাল’। হিন্দু ধর্মে শুভ বা পবিত্র কাজের সময়ে ভদ্রাকালকে অশুভ বলে মনে করা হয়। গ্রহণ কোনও ঝামেলা না পাকালেও, রাখি বাঁধার আগে তিথি দেখে ভদ্রাকালটা এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বি.দ্র- এখানে দেওয়া সমস্ত তথ্য প্রচলিত লোকবিশ্বাস, পৌরাণিক কাহিনি এবং সাধারণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে লেখা। এটি কোনও বৈজ্ঞানিক বা চিকিৎসাগত প্রমাণ নয়। যেকোনো ধর্মীয় আচার বা বাস্তু পরামর্শ মেনে চলার আগে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়াই বাঞ্ছনীয়।

Follow Us