
সকলেই রুদ্রাক্ষ মালা পরতে পারেন না। তুলসীর মালা বৈষ্ণব ছাড়াও সাধারণ মানুষ ধারণ করতে পারেন, সেদিক থেকে রুদ্রাক্ষের মালা পরার রয়েছে অনেক নিয়ম। তাই আগে থেকে না জেনে রুদ্রাক্ষের মালা পরলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। বড় বড় জ্যোতিষী ও পণ্ডিতদের রুদ্রাক্ষের মালা পরতে দেখে থাকতে পারেন। কারণ সনাতন ধর্মে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এটি পরিধান করলে অকাল মৃত্যু ও শত্রুর বাধা থেকে দূরে থাকা যায়। তিন ধরনের রুদ্রাক্ষ রয়েছে যার মধ্যে ১৪ মুখী, গণেশ এবং গৌরী শঙ্কর রয়েছে।
কী ভাবে রুদ্রাক্ষ জপমালা পরবেন
সোমবার, পূর্ণিমা বা অমাবস্যার দিনে এই মালা পরা সবচেয়ে ভাল। একই সময়ে, এই মালাটি ১.২৭, ৫৪ বা ১০৮ নম্বর রুদ্রাক্ষ নিয়ে মালা পরিধান করা উচিত। যে কোনও ধাতু দিয়ে পরলে সুবিধা দ্বিগুণ হয়ে যায়। রুদ্রাক্ষের মালা স্বর্ণ ও রৌপ্যে দিয়ে পরলে উপকার পাবেন প্রভূত।
রুদ্রাক্ষ পরলে যা করবেন না
– এই মালা পরার পর মাংস, মদ খাওয়া উচিত নয়।
– পাশাপাশি অন্য কারও দ্বারা পরা মালা কখনও পরবেন না।
– ঘুমানোর সময় রুদ্রাক্ষ খুলে শুতে হয়।
রাশি অনুসারে রুদ্রাক্ষ
– মেষ এবং বৃশ্চিক রাশির জাতকদের ৩ মুখী, বৃষ এবং তুলা রাশির জাতকদের ৬ মুখী, মিথুন এবং কন্যা রাশির জাতক-জাতিকারা ৪ মুখী রুদ্রাক্ষের জপমালা পরা উচিত।
– কর্কট রাশির জাতক-জাতিকারা ২ মুখী, সিংহ রাশির জাতক জাতিকারা ১ মুখী, ধনু ও মীন রাশির জাতকরা ৫মুখী, মকর ও কুম্ভ রাশির জাতকরা ৭ মুখী রুদ্রাক্ষ পরলে উপকার হবে।
রুদ্রাক্ষের উপকারিতা
– আপনার দাম্পত্য জীবনে নানান সমস্যা থাকলে গৌরী-শঙ্কর রুদ্রাক্ষ মালা পরতে পারেন। তাতে বিবাহ সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।
– আপনি যদি কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেন বা পড়াশোনা মন বসছে না তাহলে পাঁচমুখী রুদ্রাক্ষের মালা পরতে পারেন।
(Disclaimer: এখানে উপলব্ধ তথ্য শুধুমাত্র বিশ্বাস এবং তথ্যের উপর ভিত্তি করে। এখানে উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে টিভিনাইন বাংলা কোনও বিশ্বাস বা তথ্য নিশ্চিত করে না। কোনও তথ্য বা বিশ্বাস অনুশীলন করার আগে একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন।)