Jagadhatri Puja in Chandannagar: এবার দশমীতে হবে না জগদ্ধাত্রী পুজোর শোভাযাত্রা!
Jagadhatri Puja carnival : প্রতি বছর জগদ্ধাত্রী পূজার চতুর্থ দিনে অর্থাত্ দশমীর দিনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। চন্দননগরে দশমীর দিন আলোর কার্নিভাল করার একটা পুরনো রীতি রয়েছে। থিমের আলোর কারসাজি দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ এদিন উপস্থিত থাকেন। চোখ ধাঁধানো আলোর কেরামতি সত্যিই তাক লাগানোর মতোই।

পঞ্চমীর রাত থেকেই থিকথিকে ভিড় শুরু হয়ে গিয়েছে। আলোর কারুকাজ, থিম প্যান্ডেল, ঐতিহ্যবাহী মোহময়ী প্রতিমা দেখার জন্য স্থানীয়রা তো বটেই, দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষের ভিড় জমতে শুরু করেছে। ক্যালেন্ডার অনুসারে, এবছর ষষ্ঠী ও সপ্তমী, একইদিনে পালিত হচ্ছে। নিয়ম অনুসারে, দুর্গাপুজোর মতোই চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পূজা হয় চারদিন ধরে। ষষ্ঠী ও সপ্তমী একই দিনে পড়ে যাওয়ায় পুজো হচ্ছে তিনদিনের। সারাবছর অপেক্ষার অবসান কি এত কম দিনে পালন করা যায়? নিরাশ না করেই শহরের পুজোর আয়োজকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বিসর্জনের পর রাজকীয় শোভাযাত্রা হবে দশমীর পরিবর্তে একাদশীর দিন।
জানা গিয়েছে, চন্দননগর ও ভরদেশ্বর মিলিয়ে প্রায় ১৭০টি পুজো হতে চলেছে। কার্নিভালে যোগ দেবে প্রায় ৭০টির মতো পূজা কমিটি । একই দিনে ষষ্ঠী ও সপ্তমী পড়ায় পুজোর অনুরাগীরা যাতে ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পুজো উপভোগ করতে চার দিন সময় পান সেজন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতি বছর জগদ্ধাত্রী পূজার চতুর্থ দিনে অর্থাত্ দশমীর দিনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। চন্দননগরে দশমীর দিন আলোর কার্নিভাল করার একটা পুরনো রীতি রয়েছে। থিমের আলোর কারসাজি দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ এদিন উপস্থিত থাকেন। চোখ ধাঁধানো আলোর কেরামতি সত্যিই তাক লাগানোর মতোই। প্যান্ডেলগুলিতে আলো ব্যবহার করে সাজসজ্জার দিক থেকে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে এই আলোর শহর। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রধান ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানগুলিতে চন্দননগরের আলংকারিক আলো ব্যবহার করা হয়। জগদ্ধাত্রী পুজো চন্দননগরের সবচেয়ে বড় উৎসব। চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর আয়োজকদের উৎসাহ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ‘চন্দননগর শ্রী’ পুরস্কার চালু করা হয়েছে। এছাড়া চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পূজা কমিটিগুলিকে দেওয়া হয় ‘জগদ্ধাত্রী শ্রী পূজা সম্মাননা’।





