AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Maha Shivratri 2025: কখনও লাল, কখনও সবুজ প্রতিদিন অলৌকিক ক্ষমতা বলে নিজে নিজেই রং পরিবর্তন করে এই শিব লিঙ্গ

Maha Shivratri 2025: চমক রয়েছে অন্য জায়গায়। তা হল শিবলিঙ্গের রঙে। দিনের বিভিন্ন সময়ে একেক রকম রূপ-রং ধারণ করে মহাদেব।

Maha Shivratri 2025: কখনও লাল, কখনও সবুজ প্রতিদিন অলৌকিক ক্ষমতা বলে নিজে নিজেই রং পরিবর্তন করে এই শিব লিঙ্গ
Image Credit: jayk7/Moment Open/Getty Images
| Updated on: Feb 26, 2025 | 4:40 PM
Share

ভারতের সুপ্রাচীন শিব মন্দিরগুলির মধ্যে রয়েছে তুঙ্গনাথ, কেদারনাথ, বদ্রিনাথ বা কাশী-বিশ্বনাথ মন্দির। তেমনই আরেক প্রাচীন ঐতিহ্যে ভরা মহাদেবের মন্দির রয়েছে দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ুতে। যেমন সেই মন্দিরের অসাধরণ স্থাপত্য, তেমনই সেই মন্দিরের অপূর্ব ভাস্কর্য। তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে নল্লুর গ্রামে অবস্থিত কল্যাণসুন্দরেশ্বর মন্দির। ভারতের অন্যতম দর্শনীয় স্থান এই মন্দির ঘিরে প্রচলিত রয়েছে বহু জানা-অজানা কাহিনিও।

কেবল ধর্মীয় ঐতিহ্য নয়, এই মন্দির জনপ্রিয় হওয়ার পিছনে রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব। ঠিক কবে এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল তা সঠিক করে বলা যায় না। জানা যায়, প্রায় হাজার হাজার বছর আগে রাজরাজ চোলের আমলে তৈরি হয় মন্দির। মন্দিরের ভিতরের শিবলিঙ্গ দু’টি কালো পাথরে তৈরি। শিবলিঙ্গের অর্ধেকটা আবার সোনার পাতে মোড়া। জনসাধারণের কাছে ‘ব্ল্যাক প্যাগোডা’ নামেও পরিচিত কল্যাণসুন্দরেশ্বর মন্দির।

চমক রয়েছে অন্য জায়গায়। তা হল শিবলিঙ্গের রঙে। দিনের বিভিন্ন সময়ে একেক রকম রূপ-রং ধারণ করে মহাদেব। যা ভক্ত থেকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছে। বহু খুঁজেও কেন এই ঘটনা ঘটে তা ব্যাখা করতে পারেননি বৈজ্ঞানিকরা। শিবলিঙ্গের রং পরিবর্তন আজও এক বড় বিষ্ময়।

কোন কোন সময়ে কী ভাবে পূজিত হন মহাদেব?

১) প্রতি দিন সকাল ৮টায় বৈদ্যনাথ অবতারে পূজিত হন মহাদেব। থাকে ফুল এবং চন্দনে। এই সময়ে লিঙ্গের রং থাকে তামাটে। ভোর ৬টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এই অবতারে দেখা যায়। বিশ্বাস, এই সময়ে মহাদেব তাঁর ত্রিনয়ন বিশিষ্ট বৈদ্যনাথ রূপ ধারণ করেন। মাথায় সোনার মুকুট, হাতে কুঠার, ধনুক। বৈদ্যনাথের বাহন নন্দী।

২) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত লিঙ্গের রং হয়ে যায় হালকা লাল।

৩) সকাল গড়িয়ে দুপুর হলে পৌনে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিবলিঙ্গের রং থাকে গলানো সোনার মতো।

৪) দুপুর ১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টে পর্যন্ত সারা বছর মন্দির বন্ধ থাকে। এই সময়ে মহাদেব কোন রঙে ধরা দেন তা অজানাই।

৫) দুপুর সাড়ে ৩টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবার কালো পাথরের শিবলিঙ্গের রং হয়ে যায় পান্নার মতো সবুজ।

রাতে আবার কালো রঙে ফিরে আসেন মহাদেব। কেন, কী ভাবে প্রতিদিন এই রং পরিবর্তন হয় তা বলতে পারেন না কেউই।

প্রচলিত, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে শিব-পার্বতীর বিয়ে উপলক্ষে সকলে সেখানে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে ছিল দেবতা থেকে প্রেত, দানব, দৈত্যরাও। ফলে নষ্ট হচ্ছিল সংসারের ভারসাম্য। তাই ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য মহাদেব ঋষি অগস্ত্যকে পাঠান দক্ষিণের রাজ্যে। বর্তমানে যেখানে এই মন্দির অবস্থিত সেখানে দাঁড়িয়েই শিব-পার্বতীর বিয়ে প্রত্যক্ষ করেছিলেন অগস্ত্য মুনি। পরে শৈব আরাধনার জন্য সেখানেই শিব লিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। আজও সেই মূল লিঙ্গের পিছনে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে সেই শিব লিঙ্গ। নিয়ম মেনে পূজিত হন তিনি।

Follow Us