AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

INS Vikrant: প্রথম বারেই বাজিমাত! INS বিক্রান্ত-রাফালের যুগলবন্দির সাক্ষী থাকল সমুদ্র, ভারতের শক্তি দেখে ঘুম উড়ল শত্রুদের

Rafale Marine INS Vikrant: ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি বাড়াতে ফ্রান্সের কাছ থেকে ২৬টি রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করেছে ভারত। ২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল স্বাক্ষরিত এই প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল্য প্রায় ৬৩ হাজার কোটি টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, ২২টি এক আসনবিশিষ্ট যুদ্ধবিমান এবং চারটি দুই আসনবিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমান কেনা হবে।

INS Vikrant: প্রথম বারেই বাজিমাত! INS বিক্রান্ত-রাফালের যুগলবন্দির সাক্ষী থাকল সমুদ্র, ভারতের শক্তি দেখে ঘুম উড়ল শত্রুদের
রাফাল মেরিনImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 30, 2026 | 9:13 PM
Share

নয়া দিল্লি:  প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আরও বড় সাফল্য ভারতের। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিমানবাহী রণতরী INS Vikrant-এর ডেকে প্রথম প্রচেষ্টাতেই সফলভাবে অবতরণ করল ফ্রান্সের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান রাফাল মেরিন( Rafale Marine)। ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর এই পরীক্ষা সফল হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরীতে এই যুদ্ধবিমান ব্যবহারের উপযোগিতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষা?

INS Vikrant এবং INS Vikramaditya-র মতো বিমানবাহী রণতরীতে যুদ্ধবিমান ওঠানামার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। যুদ্ধবিমানকে রণতরীর সামনের দিকের ঢালু অংশ দিয়ে আকাশে উড়তে হয়। অবতরণের সময় বিমানের পিছনে থাকা বিশেষ হুক ডেকের উপর টানটান করে রাখা তারে আটকে যায়। এর ফলে অল্প দূরত্বের মধ্যেই বিমানটিকে থামানো সম্ভব হয়।

অন্যদিকে, ফ্রান্সের বিমানবাহী রণতরীর জন্য তৈরি রাফাল মেরিন মূলত ক্যাটাপাল্টের সাহায্যে উড়তে পারে। তাই, ভারতের রণতরীর ব্যবস্থার সঙ্গে এই যুদ্ধবিমান কতটা মানানসই, তা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রথম প্রচেষ্টাতেই সফল অবতরণ সেই পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।

ভারত কিনছে ২৬টি রাফাল মেরিন

ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি বাড়াতে ফ্রান্সের কাছ থেকে ২৬টি রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করেছে ভারত। ২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল স্বাক্ষরিত এই প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল্য প্রায় ৬৩ হাজার কোটি টাকা।

চুক্তি অনুযায়ী, ২২টি এক আসনবিশিষ্ট যুদ্ধবিমান এবং চারটি দুই আসনবিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমান কেনা হবে। পাইলটদের প্রশিক্ষণ, সিমুলেটর, অস্ত্র এবং রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থাও এর অন্তর্ভুক্ত। ২০২৮ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিমান সরবরাহ সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কীভাবে শক্তি বাড়াবে রাফাল মেরিন?

রাফাল মেরিন একটি বহুমুখী যুদ্ধবিমান। শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমানের মোকাবিলা, সমুদ্রে শত্রুর যুদ্ধজাহাজে আঘাত হানা, নজরদারি এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর মতো একাধিক কাজে এই বিমান ব্যবহার করা যায়।

এতে রয়েছে উন্নত AESA র‍্যাডার এবং SPECTRA ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থা। পাশাপাশি Meteor ও MICA-র মতো আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং SCALP-এর মতো দূরপাল্লার আঘাত হানার অস্ত্র বহনের সক্ষমতাও রয়েছে।

ফলে এই যুদ্ধবিমান ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হলে বিমানবাহী রণতরীর আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার ক্ষমতা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

INS Vikrant-এ Rafale Marine-এর সফল অবতরণ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। তবে এই পরীক্ষার সাফল্যকেই যুদ্ধবিমানটির সম্পূর্ণভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তি বলে ধরে নেওয়া যাবে না। পরবর্তী পরীক্ষা, প্রযুক্তিগত যাচাই এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ধাপ সম্পূর্ণ হওয়ার পরই এর পূর্ণাঙ্গ অপারেশনাল ব্যবহারের পথ আরও পরিষ্কার হবে।

Follow Us