AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ফ্ল্যাটের ছোট বাথরুম নিয়ে মন খারাপ? ছোট বাথরুমকে এভাবে বানান ফাইভ স্টার হোটেলের মত 

আলোর ভুল ব্যবহারে অনেক সময় বড় ঘরও ছোট মনে হয়। বাথরুমের মাঝখানে একটি জোরালো বাল্ব না জ্বালিয়ে বরং 'লেয়ার্ড লাইটিং' ব্যবহার করুন। আয়নার দু’পাশে বা ওপরের দিকে ফোকাস লাইট লাগাতে পারেন। যদি সম্ভব হয়, তবে ক্যাবিনেটের নিচে স্ট্রিপ লাইট ব্যবহার করুন।

ফ্ল্যাটের ছোট বাথরুম নিয়ে মন খারাপ? ছোট বাথরুমকে এভাবে বানান ফাইভ স্টার হোটেলের মত 
Image Credit: AI
| Updated on: Mar 31, 2026 | 6:37 PM
Share

ফ্ল্যাটবাড়ির ছোট বাথরুম নিয়ে ক্ষোভের শেষ নেই অনেকেরই। সকালে ব্রাশ করতে গিয়ে কনুইয়ে ধাক্কা লাগা কিংবা শাওয়ার নিতে গিয়ে দেওয়ালে ঘষা খাওয়া—এই অভিজ্ঞতার সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। ইচ্ছা থাকলেও জায়গার অভাবে মনের মতো সাজানো যায় না। তবে অন্দরসজ্জা বিশেষজ্ঞরা বলছেন অন্য কথা। দামি ফিটিংস বা মার্বেল পাথরের চেয়েও সঠিক বুদ্ধির প্রয়োগে একটি সাধারণ বাথরুমকেও ফাইভ-স্টার হোটেলের মতো রাজকীয় রূপ দেওয়া সম্ভব। মাত্র কয়েকটি ছোট বদল করলেই আপনার একচিলতে বাথরুমটি হয়ে উঠবে অনেক বেশি খোলামেলা এবং ঝকঝকে। কীভাবে? জেনে নিন সেই ৫টি গোপন টিপস।

আয়নার অবস্থান

ছোট জায়গাকে বড় দেখানোর সবথেকে পুরনো এবং কার্যকরী টোটকা হল আয়না। বাথরুমে সাধারণ ছোট আয়নার বদলে যদি দেওয়াল জোড়া বড় আয়না লাগানো যায়, তবে তা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এতে আলোর প্রতিফলন বেশি হয়, ফলে বাথরুমের পরিসর অনেকটা বড় বলে মনে হয়। কোনও ফ্রেম ছাড়া আয়না ব্যবহার করলে আধুনিকতা যেমন বাড়ে, তেমনই বাথরুমের দেওয়ালটি অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন দেখায়।

আলোর সঠিক বিন্যাস আলোর ভুল ব্যবহারে অনেক সময় বড় ঘরও ছোট মনে হয়। বাথরুমের মাঝখানে একটি জোরালো বাল্ব না জ্বালিয়ে বরং ‘লেয়ার্ড লাইটিং’ ব্যবহার করুন। আয়নার দু’পাশে বা ওপরের দিকে ফোকাস লাইট লাগাতে পারেন। যদি সম্ভব হয়, তবে ক্যাবিনেটের নিচে স্ট্রিপ লাইট ব্যবহার করুন। এতে বাথরুমের গভীরতা বাড়ে এবং বেশ একটি অভিজাত পরিবেশ তৈরি হয়। হালকা হলদেটে বা ‘ওয়ার্ম হোয়াইট’ আলো এই ক্ষেত্রে সেরা পছন্দ।

রঙের জাদু

গাঢ় রঙের টাইলস বা দেওয়াল ছোট জায়গাকে আরও ঘিঞ্জি করে তোলে। তাই বাথরুমের জন্য সবসময় সাদা, অফ-হোয়াইট, হালকা ধূসর বা প্যাস্টেল শেড বেছে নিন। হালকা রঙ আলো শুষে না নিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে জায়গাটি অনেক বেশি প্রশস্ত মনে হয়। মেঝের টাইলস এবং দেওয়ালের রঙ একই ধাঁচের হলে বাথরুমের সীমানা সহজে চোখে পড়ে না, যা ঘরকে বড় দেখাতে সাহায্য করে।

ফ্লোটিং ভ্যানিটির ব্যবহার বাথরুমের মেঝেতে রাখা বড় ক্যাবিনেট অনেকখানি জায়গা নষ্ট করে দেয়। তার বদলে দেওয়ালে ঝোলানো বা ‘ফ্লোটিং ভ্যানিটি’ ব্যবহার করা এখনকার সেরা ট্রেন্ড। যখন বাথরুমের মেঝের পুরোটা দৃশ্যমান হয়, তখন অবচেতনভাবেই মনে হয় জায়গাটি অনেক বড়। এছাড়া মেঝের খালি জায়গায় জল জমতে পারে না এবং পরিষ্কার করতেও অনেক সুবিধা হয়।

সবুজের ছোঁয়া ও সতেজতা

অন্দরসজ্জায় সজীবতা আনতে ইনডোর প্ল্যান্টসের কোনও বিকল্প নেই। বাথরুমের এক কোণে স্নেক প্ল্যান্ট, মানিপ্ল্যান্ট বা অ্যালোভেরা রাখতে পারেন। এই গাছগুলো বাথরুমের আর্দ্রতা ও কম আলোতেও দিব্যি বেঁচে থাকে। এক চিলতে সবুজ আপনার বাথরুমের একঘেয়েমি কাটিয়ে তাকে করে তুলবে সতেজ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গাছ কেবল বাতাস শুদ্ধ করে না, চোখের আরামও দেয়।

সঠিক পরিকল্পনায় ছোট্ট পরিবর্তনগুলোই আপনার বাথরুমের ভোল বদলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আজই শুরু করুন আপনার প্রিয় বাথরুমের ভোলবদল!

Follow Us