
নয়া দিল্লি: ১২ জানুয়ারি, বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুব দিবস পালিত হয়। ১৯৮৪ সালে ভারত সরকার এই দিনটিকে জাতীয় যুব দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ১৯৮৫ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে এই দিনটি।
স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্বাস করতেন যে যুব সমাজই একটি দেশের আসল শক্তি। তাঁর মতে, চরিত্রবান, আত্মবিশ্বাসী যুবকরাই জাতির ভবিষ্যৎ গড়তে পারে। তিনি যুবকদের আত্মনির্ভরশীল, কর্মঠ ও মানবসেবায় ব্রতী হওয়ার শিক্ষা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, “ওঠো, জাগো”। তাঁর বাণী আজও যুবসমাজের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস।
যুব দিবস পালনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তাই অপরিসীম। যুবকদের মধ্যে দেশপ্রেম, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্বাস জাগ্রত করতে এই দিনটির ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বক্তৃতা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে যুবসমাজ নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়।
বর্তমান যুগে যুব দিবসের গুরুত্ব আরও বেড়ে গিয়েছে। প্রযুক্তি ও প্রতিযোগিতার এই সময়ে যুবকদের সঠিক দিশা দেখানো অত্যন্ত প্রয়োজন। যুব দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাসই একটি উন্নত ও শক্তিশালী ভারতের ভিত্তি। সবশেষে বলা যায়, যুব দিবস শুধুমাত্র একটি স্মরণীয় দিন নয়, এটি স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যুবসমাজকে দেশ ও সমাজ গঠনের শপথ নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।