Bangladesh T20 World Cup: বিশ্বকাপের সিদ্ধান্তে ‘না’ অনড় বাংলাদেশের, তুমুল বিতর্কের মাঝে পাল্টা হুমকি!
Bangladesh T20 World Cup: বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ নিয়ে বিতর্ক যে সহজে মিটবে না, তা বোঝাই যাচ্ছে। তার মধ্যে আবার বাংলাদেশ বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এক কথায় তাঁর হুমকি, 'আন্তর্জাতিক সংস্থা কখনওই ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিতে পারে না। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রেমী দেশ। ২০ কোটি সমর্থককে কিন্তু মিস করবে আইসিসি।'

কলকাতা: নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে গেল বাংলাদেশ। ভারতের বিশ্বকাপ খেলতে আসার সিদ্ধান্তে ‘না’ই বলে দিল বিসিবি। বৃহস্পতিবার জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও বোর্ডের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা নজরুল আসিফ। তারপরই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন বিশ্বকাপ খেলার ব্যাপারে তাঁরা নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়ই থাকছেন। নিরাপত্তার প্রশ্নে আপোষ করতে পারবেন না। বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ যাচ্ছে না। তাই নিজেদের সিদ্ধান্ত বদলের কোনও প্রশ্ন নেই। আইসিসিকে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আর এক দফা ভেনু বদলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। আইসিসি তা কোনও ভাবেই বদলাবে না, জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে যাওয়ার অর্থ হল, ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে না বাংলাদেশকে।
আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘সিদ্ধান্ত বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে আশা ছাড়ছি না। আমাদের খেলার জন্য তৈরি। আমরা এখনও বিশ্বাস করি, আইসিসির কাছ থেকে সুবিচার মিলবে। আমাদের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ নিয়ে আইসিসি পদক্ষেপ করুক এবং শ্রীলঙ্কায় খেলতে দেওয়া হোক।’
ভারতে খেলতে এলে যে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশের আশঙ্কা কমবে না, স্পষ্ট করে দিয়েছেন নজরুল। তাঁর কথায়, ‘আমাদের টিম যদি ভারতে খেলতে যায়, নিরাপত্তা সংক্রান্ত আশঙ্কা থাকবে। এবং এটা বাস্তবিক চিন্তা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড মুস্তাফিজুর রহমানকে নিরাপত্তা দিতে পারেনি। যে কারণে চাপে পড়ে ওকে ভারত ছাড়তে বলা হয়েছিল। যে বোর্ড একজন ক্রিকেটারকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, তারা পুরো একটা টিম, সাংবাদিক ও সমর্থকদের নিরাপত্তা দেবে কেমন করে?’
বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ নিয়ে বিতর্ক যে সহজে মিটবে না, তা বোঝাই যাচ্ছে। তার মধ্যে আবার বাংলাদেশ বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এক কথায় তাঁর হুমকি, ‘আন্তর্জাতিক সংস্থা কখনওই ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিতে পারে না। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রেমী দেশ। ২০ কোটি সমর্থককে কিন্তু মিস করবে আইসিসি।’
