নামিবিয়া ম্য়াচের আগে, বিশ্বকাপে বিতর্ক তিলক ভর্মাকে ঘিরে

গত শনিবার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধাক্কা খেয়েছিল ভারত। সেই ম্যাচই ‘রিয়ালিটি চেক’ হয়ে আসে দলের জন্য। সামনে রবিবার কলম্বোতে ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচ। তার আগে বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচটি ভারতের কাছে প্রস্তুতির মঞ্চ। বড় ম্যাচের আগে ভুলত্রুটি শুধরে নেওয়াই মূল লক্ষ্য। বুধবার সাংবাদিকদের তিলক বলেন, ইউএসএ ম্যাচের থেকে শিক্ষা নিয়ে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের সেরাটা দেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নামিবিয়া ম্য়াচের আগে, বিশ্বকাপে বিতর্ক তিলক ভর্মাকে ঘিরে
Image Credit source: Surjeet Yadav/MB Media/Getty Images

| Edited By: Moumita Das

Feb 12, 2026 | 4:17 PM

কলকাতা: টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই ছক্কা ও চারের বন্যা। কিন্তু এই ম্য়াচগুলিতেও যে কখনও কখনও ঠান্ডা মাথার ব্যাটারের প্রয়োজন হয়, তা মনে করিয়ে দিচ্ছে ভারতীয় দল। নামিবিয়া ম্যাচের আগে ভারতের মিডিল ওভারে গভীরতা আনার দায়িত্ব এসে পড়েছে তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মার কাঁধে। তিলক এমন এক প্রজন্মের ক্রিকেটার, যাঁর পরিচয়ই আক্রমণাত্মক ব্য়াটার হিসেবে। তিনি ভারতীয় ব্যাটিংয়ে ভারসাম্য আনার কাজটা তাঁকেই করতে হবে। অন্যান্য ব্য়াটাররা বড় বড় শট খেলছেন, তখন তিলকই সেই অ্যাঙ্কর, যিনি ইনিংসকে গভীরে নিয়ে যাওয়ার কাজটি করেন।

গত শনিবার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধাক্কা খেয়েছিল ভারত। সেই ম্যাচই ‘রিয়ালিটি চেক’ হয়ে আসে দলের জন্য। সামনে রবিবার কলম্বোতে ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচ। তার আগে বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচটি ভারতের কাছে প্রস্তুতির মঞ্চ। বড় ম্যাচের আগে ভুলত্রুটি শুধরে নেওয়াই মূল লক্ষ্য। বুধবার সাংবাদিকদের তিলক বলেন, ইউএসএ ম্যাচের থেকে শিক্ষা নিয়ে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের সেরাটা দেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, “মাঝের ওভারগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে একজন সেট ব্যাটার দরকার। আমি চেষ্টা করি ইনিংসকে শেষ পর্যন্ত নিয়ে যেতে। আমাদের দলে আট নম্বর পর্যন্ত সবাই বড় শট খেলতে পারে। তাই মাঝের ওভারগুলোয় কাউকে অ্যাঙ্করের ভূমিকা নিতে হয়।”

এর আগেও বড় মঞ্চে চাপ সামলেছেন তিলক। গত বছর সেপ্টেম্বরে দুবাইয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর ইনিংস ছিল ম্যাচের নির্ণায়ক। পেটের অস্ত্রোপচারের পর আবারও প্রথম বিশ্বকাপে ফিরেছেন তিনি। সেই প্রত্যাবর্তনই হয়তো তিলক ভার্মাকে মানসিক ভাবে আরও পরিণত করে তুলেছে, ভারতের মিডল ওভারগুলোর ভরসা হয়ে ওঠার জন্য।