
কলকাতা: তরুণ প্রজন্মের হাতে ভবিষ্যতের দায়িত্ব তুলে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni)। বিরাট কোহলি দু’বছর আগেই সরে দাঁড়িয়েছেন নেতৃত্ব থেকে। রোহিত শর্মাকে বিনা নোটিশে নেতৃত্ব থেকে ছাঁটাই করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। একে একে সিনিয়ররা যেন ‘অতীত’ হয়ে যাচ্ছেন। শুধু থেকে গিয়েছেন শিখর ধাওয়ান। পঞ্জাবের ক্যাপ্টেনকে অবশ্য বয়সের খাতায় টেক্কা দেবেন আরসিবির ক্যাপ্টেন ফাফ দু’প্লেসি। ধোনি অবসর নিতেই আইপিলের ‘সেরা’ ক্যাপ্টেন হয়ে গেলেন শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer)। ২৯ বছরের কেকেআরের নেতা কেন পেলেন এই সম্মান?
২০১৮ সালে প্রথমবার আইপিএলের ক্যাপ্টেন হয়েছিলেন শ্রেয়স। গৌতম গম্ভীর নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। তখন শ্রেয়সই হয়েছিলেন আইপিএলের সবচেয়ে কম বয়সী নেতা। ২০২২ সালের নিলামে দিল্লি তাঁকে ছেড়়ে দেয়। নিলাম থেকে কেনে কেকেআর। কিন্তু চোটের কারণে খুব বেশি ম্যাচ খেলা হয়নি শ্রেয়সের। মুম্বইয়ের ক্রিকেটার মাত্র ৬টা ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন নাইটদের হয়ে। সব মিলিয়ে আইপিএলে ১০১ ম্যাচ খেলেছেন শ্রেয়স। নেতৃত্ব দিয়েছেন ৫৫টা ম্য়াচ। এ বারের আইপিএলে ধোনি-রোহিতের মতো নেতারা আর দায়িত্বে না থাকায় শ্রেয়সই সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্যাপ্টেন হিসেবে মাঠে নামবেন।
এ বারের আইপিএল বোধহয় সব দিক থেকে ব্যতিক্রম। প্রায় প্রতিবারই নতুন নেতা দেখা যায় আইপিএলে। এ বার কিন্তু একঝাঁক নতুন নেতার কাঁধে দায়িত্ব চাপিয়ে মাঠে নামবে টিমগুলো। ক্যাপ্টেন হিসেবে এ বারের আইপিএলে অভিষেক হতে চলেছে প্যাট কামিন্সের। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অনেক দিন আইপিএল জেতেনি। এইডেন মার্কব়্যামকে সরিয়ে যে কারণে বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপ্টেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শেষ মুহূর্তে ধোনি সরে যাওয়ায় চেন্নাইয়ের ক্যাপ্টেন হিসেবে দেখা যাবে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে। আর প্রথমবার আইপিএলে নেতৃত্ব দেবেন শুভমন গিল।
শ্রেয়স যদি আইপিএলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্যাপ্টেন হন, তাঁর পরেই থাকবেন লোকেশ রাহুল। পঞ্জাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এখন লখনউয়ের ক্যাপ্টেন। মোট ৫১টা ম্যাচ ক্যাপ্টেন্সি করেছেন। রাজস্থান রয়্যালসের সঞ্জু স্যামসন ৪৫টা ম্যাচ ক্যাপ্টেন্সি করেছেন। হার্দিক পান্ডিয়া থাকবেন তার পরেই। ৩১ ম্যাচে ক্যাপ্টেন্সি করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দিল্লির ঋষভ পন্থ ৩০ ম্য়াচ, আরসিবির ফাফ দু’প্লেসি ২৭ ম্যাচ ও শিখর ধাওয়ান ২২ ম্যাচ ক্যাপ্টেন্সি করার অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠে নামবেন।