
কলকাতা : ম্যাচের বয়স তখন সবে ৪ ওভার। ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে প্রোটিয়ারা। বাইশ গজে তখন ভয়ঙ্কর বুমরা ও অর্শদীপ। এমতাবস্থায় ক্রিজে এলেন ‘বেবি এবি’ হিসেবে খ্যাত ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। তাঁর সঙ্গে ডেভিড মিলারের পার্টনারশিপই ম্যাচে ফেরাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ২০-৩ থেকে ১৮৭-৭, প্রবলভাবে ম্যাচে ফিরল প্রোটিয়ারা।
আহমেদাবাদের কালো পিচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক আইডেন মারক্র্যাম। প্রথম ৪ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যর্থ অধিনায়ক নিজে (৪), কুইন্টন ডি’কক (৬), রায়ান রিকলটন (৭)। সেখান থেকেই প্রোটিয়াদের পরিত্রাতা হয়ে উঠলেন ব্রেভিস ও মিলার। দু’জনের জুটিতে উঠল ৯৭ রান। ব্রেভিস খেললেন ২৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। মিলারের ঝুলিতে ৩৫ বলে ৬৩। তবে শেষে যেন সব আলো শুষে নিলেন ট্রিস্টান স্টাবস। ২৪ বলে ৪৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেললেন তিনি। হার্দিকের শেষ ওভারে ২০ রান নিলেন তিনি। এর ফলেই দক্ষিণ আফ্রিকা ২০ ওভারে তুলল ১৮৭। মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন বুমরা। ৩ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হয়ে গেলেন বুমরা। দুই উইকেট পেলেন অর্শদীপ। আজ দলে জায়গা পান নি দলের সহ-অধিনায়ক অক্ষর পটেল। এই নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই সোশ্যাল মিডিয়ায়। ৪ ওভার বল করে ৪৫ রান দিলেন হার্দিক। প্রায় একই অবস্থা বরুণ চক্রবর্তীরও। তাঁর বোলিং ফিগার ৪-০-৪৭-১। অক্ষরের বদলে দলে আসা ওয়াশিংটন বিশেষ চমকপ্রদ নয়। ২ ওভার বল করে তিনি দিয়েছেন ১৭ রান।
সুপার এইটে ভারতের পরবর্তী ম্যাচ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। আজ জিতলে শেষ চারের জন্য অনেকটাই এগিয়ে থাকবে ভারত। ২০২৪ এখন অতীত, ২৬ এ ট্রফি জিতেই ইতিহাস লিখতে চান প্রোটিয়ারা। বিশ্বজয়ের ব্রতে ব্রতী এবার দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০২৪ ফাইনালের হার এখনও তরতাজা তাঁদের স্মৃতিতে। যতই হোক, ফাইনালের বদলা নেওয়াটাই দস্তুর।