
চেন্নাই : হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। ঘরের মাঠে ফিরেই জয়। দীর্ঘ প্রায় চার বছর পর চিপকে খেলতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। হলুদ ঝড়ের অপেক্ষা ছিল। গ্যালারিতে সেই ঝড় দেখা গেল। মাঠেও। কিন্তু বোর্ডে ২১৭ রানের বিশাল পুঁজি থাকা সত্ত্বেও মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে জয়! ব্যাটিংয়ে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় এবং ডেভন কনওয়ে দারুণ শুরু দেন। মিডল অর্ডারে ইমপ্যাক্টফুল ইনিংস খেলেন শিবম দুবে, মইন আলি, অম্বতি রায়ডুরা। বোলিংয়ে দুই স্পিনার মইন আলি এবং মিচেল স্যান্টনারের দাপট। মইন আলি ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। মিচেল স্যান্টনার ১ উইকেট নিলেও রান দিয়েছেন মাত্র ২১ রান। ম্যাচ জিতলেও পেসারদের পারফরম্যান্সে খুশি নন সিএসকে অধিনায়ক। হুঁশিয়ারি দিলেন ‘নতুন অধিনায়কের নেতৃত্বে খেলতে হবে’। কী বললেন মাহি? বিস্তারিত TV9Bangla-য়।
চেন্নাই সুপার কিংস প্রথম ম্য়াচে জিতলেও হতাশ করেছেন পেসাররা। প্রচুর ওয়াইড-নো করেছেন। সব মিলিয়ে তিনটি নো বল এবং ১৩টি ওয়াইড। স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন অধিনায়ক ধোনি। ম্যাচ শেষে বলেন, ‘দুর্দান্ত একটা হাই স্কোরিং ম্যাচ হল। ঘরের মাঠে মরসুমের প্রথম ম্যাচ। সকলেই বোঝার চেষ্টা করছিলাম পিচ কেমন আচরণ করবে। সারাক্ষণই আমাদের মধ্যে দ্বিধা কাজ করছিল। সব মিলিয়ে বলব, নিখুঁত প্রথম হোম ম্যাচ। সবচেয়ে ভালো লাগছে, ঘরের মাঠের সমর্থকদের জন্য। গত ৫-৬ বছরে এত দর্শক দেখিনি।’
চিপকে সাধারণত স্লো পিচ হয়। স্পিনাররা সুবিধা পেয়ে থাকেন। প্রথম ম্যাচে অবশ্য ততটাও মন্থর হয়নি। স্পিনারদের জন্যও বিশেষ সুবিধা ছিল না। এর মধ্যে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স মইন আলি ও স্যান্টনারের। এরপরই পেসারদের সম্পর্কে ধোনি বলেন, ‘ওয়াইড, নো বোলিং কমাতে হবে। আমরা প্রচুর অতিরিক্ত ডেলিভারি করছি। গত ম্যাচেও এমন হয়েছে। এই ভুল কমাতে হবে। না হলে কোনও একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখবে আমি দলের সঙ্গে নেই। নতুন কারও নেতৃত্বে খেলতে হবে।’