
কলকাতা: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বল গড়াতে শুরু করেছে। ভারত তাকিয়ে রয়েছে ইতিহাসের দিকে। ২০০৭ সাল এবং ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। এ বার ঘরের মাঠে কি কাপ আসবে? আজ পর্যন্ত আয়োজক দেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। সূর্যকুমার যাদবরা কি সেই ইতিহাস গড়তে পারবেন?
ট্রফি নিয়ে যখন আগ্রহ তুঙ্গে, তখন ট্রফি নিয়ে চর্চা হবে না কেন? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুন্দর, ঝকঝকে ট্রফিটা নিয়েও কিন্তু কৌতুহলের অন্ত নেই ক্রিকেট প্রেমীদের। জানেন কি, এই ট্রফির জন্ম খোদ ভারতের মাটিতেই? অবাক হবেন না। ইতিহাস তাই বলছে। প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ ট্রফি তৈরি করা হয় রাজস্থানের জয়পুরে। ট্রফির নকশা বানিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ডিজাইনার মিনালে ব্রাইস। আর ট্রফিটা তৈরি করেন জয়পুরের কারিগর অমিত পাবুওয়াল। ১৪ বছর পর সেই ট্রফি আরও বদলেছে। ২০২১ সাল থেকে লন্ডনের থমাস লাইট তৈরি করছে এই ট্রফি।
বিশ্বকাপ ট্রফির গল্প এ টুকু বললে শেষ হবে না। দেখতে রুপোর মতো ঝকঝকে হলেও খাঁটি রুপোর নয় ট্রফিটি। রোডিয়াম, রুপো সহ মোট পাঁচটি ধাতু ব্যবহার করা হয় এই ট্রফি বানাতে। ৫১ সেন্টিমিটার উচ্চতার ট্রফিটির বেস তৈরি হয়েছে রুপোর প্লেট দিয়ে। জানেন কি, জন্মের ১৪ বছর পর মেদ ঝরিয়ে আরও স্লিম অ্যান্ড ট্রিম হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ট্রফি। ২০০৭ সালে ট্রফিটির ওজন ছিল প্রায় ১২ কেজি। ২০২১ সাল থেকে এর ওজন কমে হয়েছে ৩.৯ কেজি।
এত কিছুর পর মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে এই ট্রফিটির দাম কত হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর আজও অজানা। আইসিসি বা ট্রফি নির্মাতা সংস্থা, কেউই কখনও এর দাম কত হতে পারে, তা প্রকাশ করেনি। যে টিম চ্যাম্পিয়ন হয়, তাদের কাছে ট্রফির গুরুত্ব অপরিসীম। আর সেই অ্যাঙ্গেল থেকে বলাই যায়, বিশ্বকাপের ট্রফির দাম যাই হোক না কেন, ওই ট্রফি আসলে দুর্মূল্য।
আর মজার তথ্য অনেকেই জানেন না। বিশ্বকাপ জিতলেও চ্যাম্পিয়ন দল কিন্তু এই আসল ট্রফি ঘরে নিয়ে যেতে পারে না। তাদের দেওয়া হয় ট্রফির রেপ্লিকা বা বিশ্বকাপের মতো হুবহু দেখতে আর একটি ট্রফি। আসল ট্রফিটি সব সময় রাখা থাকে দুবাইয়ে আইসিসির সদর দপ্তরে।