
‘মাহি ফিনিশেস অফ ইন স্টাইল’…। ধোনির ছয়ে ২০১১ বিশ্বকাপ জয় নিশ্চিত হতেই এই লাইনটি বলেছিলেন ধারাভাষ্যকার রবি শাস্ত্রী। ভারতীয় ক্রিকেটের সুদিন। দীর্ঘ ২৮ বছরের ব্যবধানে ওয়ান ডে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। ওয়াংখেড়েতে ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অনবদ্য ইনিংস খেলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১ সালে ওয়ান ডে বিশ্বকাপ এবং ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়। অধিনায়ক হিসেবে তিনটি আইসিসি ট্রফি। বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্যাটার ধোনির পারফরম্যান্স কেমন? বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
ধোনি বিশ্বকাপ খেলেছেন চারটি। ২০০৭, ২০১১, ২০১৫ এবং ২০১৯। তাঁর প্রথম ওডিআই বিশ্বকাপ খেলেন রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে। ২০০৭ সালের সেই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিয়েছিল ভারত। ৩ ম্যাচে ব্যাট হাতে ধোনির অবদান ২৯ রান।
এরপরই সেই অপেক্ষা অবসানের বিশ্বকাপ। ২০১১ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচে ২৪১ রান করেছিলেন ধোনি। যদিও পুরো টুর্নামেন্টে তাঁর ব্যাটে বড় ইনিংস আসছিল না। প্রয়োজনের সময় গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিলেন। ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গৌতম গম্ভীর এবং যুবরাজ সিংয়ের পাশাপাশি ধোনির অপরাজিত ৯১ রানের ইনিংস পার্থক্য গড়ে দেয়। ৭৯ বলে এই রান করেন। আটটি বাউন্ডারি এবং দুটি ওভার বাউন্ডারি।
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড যুগ্মভাবে ২০১৫ বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। সেই বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে ২৩৭ রান করেছিলেন মাহি। ইংল্যান্ডে গত বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির নেতৃত্বে খেলেছিলেন ধোনি। টপ অর্ডার অনবদ্য পারফর্ম করায় কার্যত ব্যাটিংয়ে সুযোগই পাননি মাহি। টপ অর্ডারে বিশেষ করে বলতে হয় রোহিত শর্মার কথা। ইংল্যান্ডে ২০১৯ বিশ্বকাপে পাঁচটি সেঞ্চুরি করেছিলেন রোহিত।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ভারতের বাধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি। সেমিফাইনাল হয় দু-দিনে। রিজার্ভ ডে-তে ম্যাচ গড়ানোয় সমস্যায় পড়ে ভারত। সুইংয়ের পরিবেশে ভারতীয় টপ অর্ডারে বিপর্যয়। রবীন্দ্র জাডেজা এবং মহেন্দ্র সিং ধোনি ভারতকে লড়াইয়ে রেখেছিলেন। অষ্টম উইকেট হিসেবে মহেন্দ্র সিং ধোনি অর্ধশতরানে রান আউট হয়ে ফিরতেই ভারতের যাবতীয় লড়াই যেন শেষ। মাত্র ১৮ রানে হেরে সেমিফাইনালে বিদায় নেয় ভারত। টুর্নামেন্টে ৯ ম্যাচে ২৭৩ রান করেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।