
কলকাতা : পাকিস্তান মানেই যেন বিনোদন! প্রত্যেক দিন নানা কর্মকান্ডের জেরে বিশ্বভর সমালোচনা হয় পাক বোর্ডের। গতকালই পাকিস্তানের হকি দলের অস্ট্রেলিয়ায় বাসন মাজা নিয়ে সমালোচিত হয়েছিল পাক হকি বোর্ড। এরমধ্যেই আজ নবীন-প্রবীণে সংঘাতে আবার চর্চায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে পাকিস্তান। তবে গ্ৰুপ লিগে ভারতের বিরুদ্ধে ৬১ রানে লজ্জার হার জুটেছে পাক দলের কপালে। এরপর থেকেই যেন গোটা দেশ বিপক্ষে চলে গিয়েছে সলমনদের।
ভারতের কাছে বিশ্বকাপে হারের পর থেকেই যেন অধৈর্য পাক বোর্ড। বাবর আজম, শাদাব খান এবং নিজের জামাই শাহিন আফ্রিদিকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক ও অলরাউণ্ডার শাহিদ আফ্রিদি। তাঁদের প্রথম একাদশ থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলায় চরম বিতর্ক শুরু হয়। শেষ ম্যাচে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে বাদ দেওয়া হয় শাহিনকে। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেছেন শাহিবজাদা ফারহান। প্রায় তাঁর একার ব্যাটে ভর করেই শেষ আটে পৌঁছেছে দল। মহম্মদ ইউসুফ ও মহম্মদ আমিরও একই কথা বলেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, ব্যর্থদের ক্রমাগত সুযোগ না দিয়ে নতুন ও তরুণ খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে। এই ম্যাচ জেতার পরেই নাম না করে প্রাক্তনদের তোপ দাগেন শাদাব। ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন,”প্রাক্তন খেলোয়াড়রা পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য অনেক কিছু করেছেন কিন্তু তাঁরা কখনোই বিশ্বকাপে ভারতকে হারাতে পারেন নি।” টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একবারই পাকিস্তানকে হারিয়েছে ভারত। ২০২১ বিশ্বকাপে ১০ উইকেটে কোহলিদের পরাস্ত করেছিলেন বাবররা। তারপর থেকে ২০২২, ২০২৪, ২০২৬ – তিন বিশ্বকাপেই ভারতের বিরুদ্ধে ব্যর্থ পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মত ৯ বার মুখোমুখি দুই দল। ৮ বার জিতেছে ভারত।
শাদাবের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসায় ফুঁসে উঠেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। আটের দশকে ভারতকে ক্রমাগত হারাত পাকিস্তান। বিশ্বকাপে এই দৃশ্যটা বরাবরই উল্টো। ৫০ ও ২০, দুই ফরম্যাটের বিশ্বকাপে মাত্র ১ বার পাকিস্তানের কাছে হেরেছে ভারত। তবে একবার হারিয়েই এতো বড়ো কথা বলা টা ভালো চোখে দেখেনি পাকিস্তানের পূর্ব প্রজন্ম।