
কলকাতা: এখনও স্পনসর জোটেনি। জার্সিতে নেই কোনও সংস্থার লোগোও। হঠাৎ করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডাক পেয়ে কিছুটা কি বিপাকে স্কটল্যান্ড? বিশ্বকাপ খেলার জন্য ভারতে পা রাখার আগে বেশ চিন্তায় স্কটিশ টিম। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই দল ভারতে পৌঁছতে পারবে বলে আশাবাদী স্কটল্যান্ডের ক্রিকেট সংস্থা। সমস্ত ভিসা জটিলতা দ্রুতই কেটে যাবে। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পেসার সাফিয়ান শরিফ দলে থাকায় কিছুটা বাড়তি নজরদারি রয়েছে। ক্রিকেট স্কটল্যান্ড বিষয়টিকে ‘শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার’ বলেই দেখছে। বাংলাদেশ নিরাপত্তার কারণে সরে দাঁড়ানোর পর, স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করেছে আইসিসি। যদিও আইসিসি বলেছে, ‘স্কটল্য়ান্ডের মূল্যায়নের উপর ভরসা থাকলেও হঠাৎ টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় প্রস্তুতির সময় কম পাওয়া গিয়েছে।’
৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতায়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ স্কটল্য়ান্ডের। আর এরই মধ্যে স্কটল্যান্ডের সামনে সবচেয়ে বড় সমস্য়া হয়ে দাঁড়িয়েছে ভিসা প্রক্রিয়া। এক সাক্ষাৎকারে স্কটল্য়ান্ড ক্রিকেট প্রধান লিন্ডব্লাড বলেছেন, ‘ভিসা বিষয়টি নিয়ে কিছুটা অনিশ্চিতা থাকেই। তিন দিন হোক বা ৪৫ দিন, সেটা বড় কথা নয়।’ তিনি জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের মূল লক্ষ্য ছিল ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা। লিন্ডব্লাডের কথায়, ‘সবাই ভিসার আবেদন জমা দিচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব ভারতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি আমরা। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।’ সাফিয়ান শরিফের ক্ষেত্রে কিছুটা বাড়তি সতর্কতা থাকতে পারে। কারণ পাকিস্তানিদের ভিসা প্রক্রিয়ায় সাধারণত বেশি সময় লাগে। তবে লিন্ডব্লাড স্পষ্ট করেন, আইসিসি পূর্ণ সহযোগিতার আস্থা দিয়েছে।
সতর্কতা ব্যবস্থা হিসেবে স্কটল্যান্ড দু’জন ট্রাভেলিং রিজার্ভ এবং তিনজন নন-ট্রাভেলিং রিজার্ভের জন্যও ভিসার আবেদন করা হয়েছে। দলের হেড স্টিভ স্নেল জানান, প্রক্রিয়াটি সফল হবে বলেই তাঁরা আশা করছেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে আমন্ত্রণ করার পর যদি দল সময়ে পৌঁছতেই না পারে, সেটা কারও জন্যই ভালো হবে না।’ স্কটল্য়ান্ড ফেব্রুয়ারির ২ ও ৪ তারিখ বেঙ্গালুরুতে, আফগানিস্তান ও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ খেলবে। গ্রুপ বি-তে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, ইতালি ও নেপাল। এখন দেখার এই ভিসা প্রক্রিয়া কত দ্রুত শেষ হয়।