Ranji Trophy: সুদীপের পর শাহবাজ, দুজনের যুগলবন্দীতে সেমিতে বাংলা!

শনিবার কল্যাণীর মাঠে যখন সুদীপ ব্যাট করতে নেমেছিলেন, বাংলার অবস্থা তখন বেশ সঙ্গীন। ড্রেসিংরুমে ফিরে গিয়েছেন বাংলার দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটার অনুষ্টুপ মজুমদার এবং সুদীপ কুমার চট্টোপাধ্যায়। অন্ধ্রপ্রদেশের করা ২৯৫ রানের ইনিংস যেন পাহাড়প্রমাণ লাগছিল বাংলার কাছে। সেখান থেকেই প্রথমে সুমন্ত রায় এবং পরে শাকির হাবিব গান্ধীকে নিয়ে একা কুম্ভের মতো সুদীপ রক্ষা করেন বাংলার গড়।

Ranji Trophy: সুদীপের পর শাহবাজ, দুজনের যুগলবন্দীতে সেমিতে বাংলা!
Image Credit source: CAB

| Edited By: Moumita Das

Feb 10, 2026 | 4:10 PM

কলকাতা: একদিকে, মাত্র ১ রানের জন্য সুদীপ ঘরামীর রঞ্জির নকআউটে ৩০০ রান না করতে পারার হতাশা, অন্যদিকে শাহবাজের দুরন্ত ঘূর্ণির ফাঁদে অন্ধ্র-বধ। আক্ষেপ-উৎসবে রঞ্জি সেমিফাইনালে বাংলা। ১৯৮৯ সালের পর একবারও রঞ্জি ট্রফির স্বাদ পায়নি বাংলা দল। বেশ কয়েকবার ফাইনালে উঠলেও ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। শেষ চারে বাংলার প্রতিপক্ষ জম্মু-কাশ্মীর। প্রথম বার রঞ্জির শেষ চারে তারা। কোয়ার্টার ফাইনালে ৫৬ রানে হারাল মধ্যপ্রদেশকে। বিধ্বংসী ফর্মে রয়েছেন জম্মুর পেস বোলার আকিব নবি। আপাতত ফাইনালের যুদ্ধে নামার আগে বাংলার ভাবনায় ‘মিশন কাশ্মীর’।

গতকাল একটুর জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি মিস করেছেন সুদীপ ঘরামী। ২৯৯ রানের মাথায় নিচু বল ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন। এই আউট নিয়ে আক্ষেপ যেন মিটছে না সুদীপের। সংবাদমাধ্যমকে সুদীপ বলেছেন, “হতাশা অবশ্যই আছে। আমাকে আরও মনোসংযোগ নিয়ে ব্যাট করতে হবে।” তাঁর সংযোজন, “আমি আর একটু ব্যাট করতে পারলে বোলাররা বিশ্রাম পেত। আপাতত অন্ধ্র ম্যাচ অতীত। যা হয়নি, তা নিয়ে আর কিছু ভাবছি না।”

শনিবার কল্যাণীর মাঠে যখন সুদীপ ব্যাট করতে নেমেছিলেন, বাংলার অবস্থা তখন বেশ সঙ্গীন। ড্রেসিংরুমে ফিরে গিয়েছেন বাংলার দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটার অনুষ্টুপ মজুমদার এবং সুদীপ কুমার চট্টোপাধ্যায়। অন্ধ্রপ্রদেশের করা ২৯৫ রানের ইনিংস যেন পাহাড়প্রমাণ লাগছিল বাংলার কাছে। সেখান থেকেই প্রথমে সুমন্ত রায় এবং পরে শাকির হাবিব গান্ধীকে নিয়ে একা কুম্ভের মতো সুদীপ রক্ষা করেন বাংলার গড়। সুমন্ত করেন ৮১ রান। শাকিরের অবদান ৯৫ রান। তবে চমকে দিয়েছেন সুদীপ। ২৯৯ করতে ৫৯৬ বল খেলেছেন সুদীপ। মেরেছেন ৩১টি বাউন্ডারি ও ৬টি ওভার বাউন্ডারি। এই কীর্তিতে তিনি ছুঁয়েছেন মার্টিন ক্রো এবং মাইকেল পাওয়েলের মতো কিংবদন্তিদের। এই দুই ক্রিকেটার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২৯৯ করে আউট হয়েছেন।

৩৩৪ রানে পিছিয়ে গতকাল শুরুটা ভালো হয়নি অন্ধ্রর। ৬৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছিল তারা। প্রথম ইনিংসে ভালো ব্যাটিংয়ের পর দ্বিতীয় ইনিংসে রান পাননি অন্ধ্র অধিনায়ক রিকি ভুইঁ। মাত্র ৩০ রান করেই শাহবাজ আহমেদের বলে আউট হয়ে যান রিকি। ভারতীয় জার্সিতে নিয়মিত নীতিশ কুমার রেড্ডি ৯০ রান না করলে হয়তো আরও লজ্জার মুখে পড়তে হত অন্ধ্রপ্রদেশকে। শেষ মুহূর্তে ৪৬ রান করেন ত্রিপুরানা বিজয়। মাত্র ২৪৪ রানে দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয়ে গিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। মাত্র ৭২ রান দিয়ে ৪ উইকেট পেয়েছেন বিরাট কোহলির প্রাক্তন সতীর্থ শাহবাজ আহমেদ। তাঁর স্পিন সামলাতে পারেনি অন্ধ্র।