
কলকাতা: হান্ড্রেড শুরুর আগে প্রবল বিতর্ক। আর সেই বিতর্কের কেন্দ্রে চারটে টিম। যাদের মালিকানা রয়েছে আইপিএলে মালিকদের। ১১ ও ১২ মার্চ নিলাম। আগে ভারতীয় মালিকানাধীন চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজি পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের দলে নেবে না, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। ইংল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক বলেছেন, হান্ড্রেডে পাক ক্রিকেটাররা যদি অংশ নিতে না পারে, তা “দুঃখজনক” হবে। ইয়র্কশায়ারের ব্যাটার ব্রুক ইতিমধ্যেই ভারতীয় মালিকানাধীন সানরাইজ লিডসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ৪ লাখ ৬৫ হাজার পাউন্ড পেয়ে তিনি সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার।
ব্রুক ইংল্যান্ডের সুপার এইটস ম্যাচের আগের দিন কথা বলতে গিয়ে বলেন, “এই মুহূর্তে আমার প্রধান লক্ষ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা। হান্ড্রেডের এই বিষয়টা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। তারা যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই হবে। তবে পাকিস্তান বহু বছর ধরে ক্রিকেট খেলছে। ওদের দলে অসাধারণ কিছু খেলোয়াড় আছে। যারা বিশ্বের সেরাদের মধ্যে কয়েকজন। দ্য হান্ড্রেডে তাদের কাউকে দেখতে না পাওয়া সত্যিই দুঃখজনক হবে।”
দ্য হান্ড্রেডের নিলামের জন্য পাকিস্তান থেকে ৬৩ জন পুরুষ ও ৪ জন মেয়ে ক্রিকেটার নাম নথিভুক্ত করেছেন। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তাই প্রথম ফাঁস করেন, পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা সেই দলগুলোতেই জায়গা পাবেন, যেগুলোর সঙ্গে আইপিএলের কোনো সম্পর্ক নেই। এখান থেকেই বিতর্কের শুরু। আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে চারটি— ম্যাঞ্চেস্টার সুপার জায়ান্টস, এমআই লন্ডন, সাদার্ন ব্রেভ, সানরাইজ লিডস সরাসরি আইপিএলের মালিকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন বলেছেন, “এমন ঘটা উচিত নয়। ইসিবিকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে।” ২০০৯ সালের পর থেকে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা দু’দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের জেরে আইপিএলে অংশ নেননি। দ্য হান্ড্রেডে যদি আইপিএলের মালিকানাধীন টিমগুলো তাদের সই না করালে একই ধারা বজায় থাকবে।
২০২৩ সালে শুরু হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০তেও কোনও পাকিস্তানি খেলোয়াড় অংশ নেননি। এর ছয়টি দলই আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি গোষ্ঠীর মালিকানাধীন। যার মধ্যে চারটি এখন দ্য হান্ড্রেডের সঙ্গেও যুক্ত। ইল্যান্ডের ক্যাপ্টেন হ্যারি ব্রুক জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যেই দলকে জানিয়ে দিয়েছেন যে অধিনায়কত্ব করবেন না। তিনি বলেন, “আমি এসব বিষয় থেকে দূরে থাকছি। কোচ ও যাঁরা দায়িত্বে আছেন, তাঁরাই সিদ্ধান্ত নিক।”