কলকাতা: শনিবার ডার্বি। আইএসএলের (ISL) প্রথম বড় ম্যাচ। মরসুমের ৩টে ডার্বির রেজাল্ট, ইস্টবেঙ্গল ২: মোহনবাগান ১। এর মধ্যে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ট্রফি জেতে মোহনবাগান। অন্য দিকে লাল-হলুদ হারায় ডুরান্ডের গ্রুপ পর্ব আর সুপার কাপের গ্রুপ পর্বে। সুপার কাপে সদ্য হারের জ্বালা এখনও মেটেনি। ১৫ দিনের ব্যবধানে আরও একটা বড় ম্যাচে নামছে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। বদলার আগুনে তেতে রয়েছে হাবাসের দল। শেষ কয়েক মাসে মোহনবাগানে আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। কোচ ছাঁটাই, সুপার কাপে ব্যর্থতা, বিদেশিদের পারফরমেন্স ঘিরে সমালোচনা। সব কিছু জবাব দেওয়ার চ্যালেঞ্জ শনিবার। সুপার কাপ জিতে চনমনে ইস্টবেঙ্গল। এই সুরটাই কেটে দিতে চান দিমিত্রিরা।
এ যেন অন্য মোহনবাগান। ঝড়ের আগে একেবারে শান্ত। বদলার আগুন জ্বলছে ধিকিধিকি, মোহনবাগান যেন শিকারী বাঘ! জেদ পুষে রেখেছেন হুগো বোমাস, জেসন কামিংসরা। শনিবার ডাগ আউটে বসছেন হাবাস। দীর্ঘদিন বাদে মোহনবাগান ডাগ আউটে দেখা যাবে তাঁকে। সুপার জায়েন্ট হয়ে ওঠার চ্যালেঞ্জ বাগান ফুটবলারদের সামনে। বৃহস্পতিবার মোহনবাগান অনুশীলনে যোগ দিলেন জনি কাউকো। যদিও প্র্যাক্টিস করেননি তিনি। শনিবারের বড় ম্যাচেও নেই। তবে চোট কাটিয়ে দীর্ঘদিন বাদে দলের সঙ্গে যোগ দিলেন। তাঁর টিমের সঙ্গে যোগ দেওয়া মনোবল বাড়াবে, তা বলাই যায়।
চোটের জন্য ডার্বিতে অনিশ্চিত আশিস রাই। জাতীয় দলে থাকায় শুভাশিস, অনিরুদ্ধ থাপা, সাহাল আব্দুল সামাদরা সুপার কাপের ডার্বিতে খেলতে পারেননি। আইএসএলের বড় ম্যাচে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ ভাঙার কৌশল নিয়ে ফেলেছেন হাবাস। সাদিকু, কামিংসদের কাছেও চ্যালেঞ্জ। শনির বড় ম্যাচে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে তৈরি মোহনবাগান।