
কলকাতা: দেশের হয়ে খেলেছেন তিনি। দীর্ঘদিন খেলেছেন বাংলার হয়ে। ছিলেন রাজ্য দলের ক্যাপ্টেনও। খেলা ছাড়ার পর বাংলার নানা দলে কোচিং করেছেন। এখন বাংলারই সিনিয়র টিমের কোচ। সেই লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে শুনানিতে ডাকল নির্বাচন কমিশন। যা বেশ অবাক করে দিয়েছে লক্ষ্মীকে। যে চিঠি তাঁকে পাঠানো হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবার নাম নেই। ঘটনা হল, ১৯৯৫ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর বাবার। এতেই শেষ নয়, রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন প্রাক্তন অলরাউন্ডার। তাও লক্ষ্মীকে এসআইএর শুনানিতে ডাকায় ক্রীড়ামহল অবাক।
লক্ষ্মী অবশ্য জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে তিনি যাবেন। প্রয়োজনীয় নথি পেশ করবেন। শুনানির ডাক আগে পেলেও যেতে পারেননি লক্ষ্মী। বাংলা খেলা থাকায় টিম নিয়ে রাজ্যের বাইরে ছিলেন। এ বার তিনি শুনানিতে যাবেন। অবশ্য শুধু লক্ষ্মী নন, আরও বেশ কিছু প্রাক্তন ও বর্তমান প্লেয়ারকে ডাকা হয়েছে শুনানিতে। সেই তালিকায় যেমন মহম্মদ সামির মতো ভারতীয় দলের ক্রিকেটার রয়েছেন, তেমনই রয়েছেন একগুচ্ছ প্রাক্তন ফুটবলারও। এসআইএরের নামে বাংলার খেলোয়াড়দের হেনস্থার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন বাংলার প্রাক্তন খেলোয়াড়রা। ভবানীপুর ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছে এক সময়কার নামী ফুটবলারদের।
প্রাক্তন ফুটবলার কম্পটন দত্ত, অলোক দাস, অলোক মুখোপাধ্যায়ের ছোট ছেলে, মেহতাব হোসেনের পরিবারের সদস্যকেও এসআইএরের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। সেই প্রতিবাদে সামিল ময়দানের প্রাক্তন খেলোয়াড়রা। শুধু প্রতিবাদ নয়, নির্বাচন কমিশনকেও চিঠি দেওয়ার ভাবনা প্রাক্তনীদের। মানস ভট্টাচার্য, বিকাশ পাঁজি, অলোক মুখোপাধ্যায়, দীপেন্দু বিশ্বাস, অলোক দাস, সঞ্জয় মাঝি, প্রশান্ত চক্রবর্তী, নিমাই গোস্বামীরা। অলোক মুখোপাধ্যায় বলেছেন, ‘আমি রাজ্য ও দেশের হয়ে খেলেছি। আমি পরিচিত মুখ। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নামও রয়েছে। তাও আমার ছোট ছেলেকে ডাকা হয়েছে। ও এই মুহূর্তে ভাবায় চাকরি করছে।’