T20 World Cup: সুপার এইট ফর্ম্যাটে ‘প্রি-সিডিং’ বিতর্ক, চাপের মুখে আইসিসি!

সমালোচকদের মতে, এমন গ্রুপ বিন্যাস প্রতিযোগিতার স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী হয়নি। সাধারণত গ্রুপে প্রথম হওয়া দলকে সুবিধা দেওয়া হয়। যাতে তারা পরবর্তী পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পায়। কিন্তু এখানে উল্টো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চারটি শক্তিশালী দল একই গ্রুপে পড়ায় তাদের মধ্যে দু’টি দল সেমিফাইনাল থেকে আগেই বিদায় নেবে। যা অন্যায্য বলে মনে করছেন অনেকেই। এতে রানার্স হয়ে ওঠা দলগুলি তুলনামূলক সহজে সেমিফাইনালে পৌঁছনোর সুযোগ পেতে চলেছে।

T20 World Cup: সুপার এইট ফর্ম্যাটে ‘প্রি-সিডিং’ বিতর্ক, চাপের মুখে আইসিসি!
Image Credit source: Gareth Copley-ICC/ICCNathan Stirk-ICC/ICC via Getty Images via Getty Images

| Edited By: Moumita Das

Feb 20, 2026 | 5:58 PM

কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বের ফর্ম্যাট নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে আইসিসি। গ্রুপ পর্ব শেষে আটটি দল সুপার এইটে উঠলেও ‘প্রি-সিডিং’এর কারণে তৈরি হয়েছে ভারসাম্যহীনতা। এমনই অভিযোগ তুলেছেন ক্রিকেট সমর্থকদের একাংশ। আইসিসি টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই নির্দিষ্ট স্লট নির্ধারণ করে রেখেছিল। ফলে গ্রুপ পর্বে যে দলই শীর্ষে থাকুক না কেন, তাদের জায়গা আগে থেকেই ঠিক ছিল। এর ফলেই সুপার এইটের গ্রুপ এ-তে জায়গা পেয়েছে চারটি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। ভারত, জিম্বাবোয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। অন্য দিকে, গ্রুপ বি-তে রয়েছে চারটি রানার্স দল— পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।

সমালোচকদের মতে, এমন গ্রুপ বিন্যাস প্রতিযোগিতার স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী হয়নি। সাধারণত গ্রুপে প্রথম হওয়া দলকে সুবিধা দেওয়া হয়। যাতে তারা পরবর্তী পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পায়। কিন্তু এখানে উল্টো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চারটি শক্তিশালী দল একই গ্রুপে পড়ায় তাদের মধ্যে দু’টি দল সেমিফাইনাল থেকে আগেই বিদায় নেবে। যা অন্যায্য বলে মনে করছেন অনেকেই। এতে রানার্স হয়ে ওঠা দলগুলি তুলনামূলক সহজে সেমিফাইনালে পৌঁছনোর সুযোগ পেতে চলেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার উদাহরণ টেনে সমালোচকরা বলছেন, তারা নিজেদের গ্রুপে শীর্ষে থাকলেও প্রি-সিডিংয়ের কারণে কঠিন গ্রুপে পড়েছে। এতেই শেষ নয়, প্রথম দুটো ম্য়াচ যে দল জিতে যাবে, গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলির গুরুত্বও কমে যাবে।

আরও একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে শ্রীলঙ্কাকে ঘিরে। অভিযোগ, যদি শ্রীলঙ্কা সেমিফাইনালে ওঠে, তবে সূচি অনুযায়ী তাদের ভারত সফর করতে হবে। অর্থাৎ, ঘরের মাঠে সব ম্য়াচ খেলার পর, সেমিফাইনালে নিজ দেশের দর্শকদের সামনে খেলার সুযোগ নাও পেতে পারে তারা। যা সমর্থকদের কাছে হতাশাজনক। তবে আইসিসি এই সমালোচনার জবাবে জানিয়েছে, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করার জন্য়ে আগের থেকে ভেন্যু ও সূচি নির্ধারণ করে রাখা জরুরি ছিল। লজিস্টিক ও সম্প্রচার সংক্রান্ত কারণে প্রি-সিডিং ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেই দাবি আইসিসির।