
কলকাতা: বিশ্বকাপের শুরুটা জয় দিয়েই শুরু করেছে ভারত। যুক্তরাষ্ট্র ও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে সহজ জয় পেয়েছে ভারত। তবে তাঁরই মধ্য়ে ভারতীয় ব্যাটিংয়ে কিছু গলদও ধরা পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও নামিবিয়ার বিরুদ্ধের দুটি ম্যাচেই যথেষ্ট উইকেট পড়েছে। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে যা। বড় ম্য়াচের আগে সতর্ক হওয়ার সময় এসে গিয়েছে ভারতের। সূর্যকুমার যাদবরা আগে থেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে, উইকেট ব্যাটিং সহায়কই হবে। কিন্তু লো-বাউন্স ব্যাটারদের মুশকিলে ফেলে। কলম্বোর পিচও যে মন্তর হবে, তা মোটামুটি নিশ্চিত। ব্যাটিংয়ে দাপট দেখাতে হলে, বিশেষ করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেরা দিতে হলে পিচের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা জরুরি।
আমেরিকার শ্যাডলি ভ্যান স্কালকউইক ও নামিবিয়ার অধিনায়ক গেরহার্ড এরাসমাস দেখিয়েছেন, কলম্বোর পিচে কিভাবে বোলিং করা উচিত। ব্যাটিং বৈচিত্র্যই ভারতের অস্ত্র। তবে ঈশান কিষান থেকে তিলক ভার্মা, শিবম দুবে, রিঙ্কু সিং বা অক্ষর প্যাটেল— সবার জন্য একই পরিকল্পনা থাকবে না, এটাও স্বাভাবিক। নামিবিয়ার এরাসমাস বলের গতি বদলে ব্যাটারদের ছন্দ ভাঙেন। এরাসমাসের প্রশংসা করে নামিবিয়ার কোচ ক্রেগ উইলিয়ামস বলেন, কঠিন ওভারগুলোতে তাঁর বোলিং বৈচিত্রই কাজে এসেছিল। তবে ব্যাটিং নিয়ে চিন্তা থাকলেও ভারতকে স্বস্তিতে রাখছে ঈশান কিষানের ফর্ম। প্রথম ম্যাচ বড় রান না পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের ওপেনার বিস্ফোরক ফর্মে ছিলেন।
শেষ দু’ওভারে উইকেট হারানোর ভারতীয় দলের কাছে বড় সতর্কবার্তা। হার্দিক পান্ডিয়া ও শিবম দুবের বলে পরপর আউট। ভারত অবশ্য হোমওয়ার্ক শুরু করে দিয়েছে। কোচ গম্ভীর শ্রীলঙ্কার মাটিতে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছেন। তিনি জানেন, কলম্বোর মাঠে কীভাবে ব্যাটিং করতে হবে। সেই মতো দলকে তৈরি করছেন তিনি।