
কলকাতা: টিকে থাকতে হলে জিততেই হবে। প্রতিপক্ষ কঠিন নয়। কিন্তু নিজেদের ভুলে নিজেই ম্যাচের পর ম্যাচ ডোবাচ্ছেন। তার উপর আবার ভারতের বিরুদ্ধে হারের ক্ষত এখনও জুড়োয়নি। সমালোচনাও কম নেই। সেই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াল পাকিস্তান। আগে ব্যাট করে ওমানকে ২০০ রানের টার্গেট দিল গ্রিন আর্মি। এই ম্যাচের নায়ক সাহিবজাদা ফরহান। বিস্ফোরক ইনিংস খেলে দলকে উদ্বুদ্ধ করলেন পাক ওপেনার। সেই সঙ্গে প্রবল চাপে থাকা টিমকে কিছুটা স্বস্তিও এনে দিলেন। এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাহিবজাদার ব্যাট থেকে এল তৃতীয় সেঞ্চুরি। তার আগে শ্রীলঙ্কার পাথুম নিশঙ্কা ও কানাডার যুবরাজ সামরা সেঞ্চুরি করেছেন।
সাহিবজাদা দ্বিতীয় পাকিস্তানি ব্যাটার যিনি বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করবেন। এর আগে আহমেদ শাহজাদ কুড়ি-বিশের ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করেছেন। কিন্তু সেই সেঞ্চুরি এসেছিল ১৫ বছর আগে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। তিনি ১১১ করেছিলেন ৬২ বলে। সাহিবজাদা ৫৮ বলে নট আউট ১০০ করেছেন। মেরেছেন ১১টা চার ও ৪টে ছয়। তাঁর ঝোড়ো ইনিংস থামাতে পারেননি ওমানের বোলাররা। তবে সাহিবজাদাকে বাদ দিলে আর কেউ তেমন রান পাননি। ২৩ বলে ৩৯ ক্যাপ্টেন সলমন আঘার। ২২ বলে ৩৬ শাদাব খানের।
ভারতের বিরুদ্ধে লজ্জার হারের পর পাকিস্তানের ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। টিমের কেউই কার্যত রান পাননি। বাবর আজমকে নিয়ে কথা চলছে বিশ্বকাপের আগে থেকেই। এই বিশ্বকাপেও তিনি ফর্মে নেই। মনে করা হয়েছিল, ওমান ম্যাচে হয়তো টিম থেকে বাদ পড়ে যেতে পারেন। কিন্তু তাঁকে দলে রাখা হয়। তবে ব্যাট করতে পাঠানো হয়নি। বোঝাই যাচ্ছে, সিনিয়র ক্রিকেটারের উপর খুব একটা ভরসা নেই দলের। একাদশ থেকে বাদ পড়ে গিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।