T20 World Cup : সুপার এইট ‘প্রি-সিডিং’ বিতর্কে মুখ খুললেন সূর্যকুমার

চলতি বিশ্বকাপে চারটি গ্রুপের শীর্ষে থাকা দল ভারত, জিম্বাবোয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সকলে একই সুপার এইট পুলে পড়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলি তুলনামূলক সহজ গ্রুপে জায়গা পেয়েছে বলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে বহু ক্রিকেটপ্রেমী প্রশ্ন তুলেছেন, গ্রুপে প্রথম হওয়ার কোনও বাড়তি সুবিধা যদি না থাকে, তাহলে প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা কোথায়?

T20 World Cup : সুপার এইট ‘প্রি-সিডিং’ বিতর্কে মুখ খুললেন সূর্যকুমার
Image Credit source: Getty Images

| Edited By: Moumita Das

Feb 21, 2026 | 6:28 PM

কলকাতা: ২০২৬ বিশ্বকাপে সুপার এইট পর্বে ‘প্রি-সিডিং’ বিতর্কের মাঝেই এবার মুখ খুললেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তবে সরাসরি সমালোচনা না করে খানিকটা বাউন্সার এড়িয়ে যাওয়ার কৌশলই নিলেন তিনি। আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে সূর্যকুমার বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় তিনি বিশ্বাসী নন। এই টুর্নামেন্টে সুপার এইটের গ্রুপ নির্ধারণ করা হয়েছে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে, আইসিসি র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী। অর্থাৎ গ্রুপ পর্বে কে প্রথম বা দ্বিতীয় হল তার উপর নয়, বরং পূর্বনির্ধারিত র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতেই ঠিক হয়েছে পরবর্তী পর্বের দল। ফলে অনেকের মতে, এই গ্রুপ পর্বের লড়াই কার্যত গুরুত্ব হারিয়েছে।

চলতি বিশ্বকাপে চারটি গ্রুপের শীর্ষে থাকা দল ভারত, জিম্বাবোয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সকলে একই সুপার এইট পুলে পড়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলি তুলনামূলক সহজ গ্রুপে জায়গা পেয়েছে বলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে বহু ক্রিকেটপ্রেমী প্রশ্ন তুলেছেন, গ্রুপে প্রথম হওয়ার কোনও বাড়তি সুবিধা যদি না থাকে, তাহলে প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা কোথায়? এই প্রসঙ্গে সূর্যকুমার বলেন, “এই ‘প্রি-সিডিং’ কে করে, কীভাবে হয় আমি জানি না। তবে আগেও বলেছি, যদি আমি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় থাকতাম, তাহলে অবশ্যই কিছু পরিবর্তন করার চেষ্টা করতাম।” তাঁর এই মন্তব্যেই স্পষ্ট, যে এই ব্যবস্থাটি ভারতের অধিনায়কের পছন্দ নয়, যদিও তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত সমালোচনায় যান নি।

তবে ভেন্যু ও কন্ডিশন নিয়ে ভারতীয় দল যে স্বচ্ছন্দ, সেটাও পরিষ্কার করে দেন সূর্য। তাঁর কথায়, আইপিএলের সুবাদে প্রায় সব ক্রিকেটারই দেশের বিভিন্ন মাঠে খেলেছেন। ফলে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। শুধু সূর্যকুমারই নন, অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার অ্য়াডাম জাম্পাও এই প্রি-সিডিং পদ্ধতির বিরোধিতা করেছেন। অন্যদিকে আইসিসি জানিয়েছে, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে লজিস্টিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে আগাম পরিকল্পনা জরুরি ছিল। ভেন্যু সিলেকশান, সম্প্রচার সূচি, নিরাপত্তা ও দর্শক ব্যবস্থাপনার সুবিধার জন্যই এই প্রি-সিডিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। এবার প্রশ্ন, প্রতিযোগিতার ন্যায্যতা নাকি আয়োজকদের সুবিধা, কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ? সুপার এইটের লড়াই যত এগোবে, এই বিতর্কও ততই জোরালো হবে।