টি–টোয়েন্টিতে সাফল্যের নির্দিষ্ট ফর্মুলা নেই, বলে দিচ্ছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার ইয়াসির

ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যে ইয়াসিরের প্রচুর অভিজ্ঞতা, তা বলা যাবে না। পাকিস্তানের হয়ে তিনি মাত্র ৩টি টেস্ট, ১১টি ওডিআই ও ১৩টি টি–টোয়েন্টি খেলেছেন। তবে দীর্ঘ কুড়ি বছরের কেরিয়ারে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন চুটিয়ে। খেলেছেন ২০৭টি ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচ। ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান দলের সদস্য ছিলেন ইয়াসির আরাফাত। টি–টোয়েন্টি নিয়ে আরাফাতের মতও স্পষ্ট। তাঁর মতে, টি-টোয়েন্টিতে সাফল্যের কোনও নির্দিষ্ট ফর্মুলা হয় না।

টি–টোয়েন্টিতে সাফল্যের নির্দিষ্ট ফর্মুলা নেই, বলে দিচ্ছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার ইয়াসির
Image Credit source: Nigel French - PA Images via Getty Images

| Edited By: Moumita Das

Feb 09, 2026 | 6:03 PM

কলকাতা: প্রাক্তন পাকিস্তান অলরাউন্ডার ইয়াসির আরাফতকে বলা যায় ক্রিকেটের যাযাবর। খেলোয়াড় জীবন হোক বা কোচিং— বিশ্বের নানা জায়গায় কাজের ছাপ রেখে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি দলের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ইয়াসির। ২০১৬ সালে অবসর নেওয়ার পর থেকেই পুরোপুরি কোচিংয়ে মন দেন তিনি। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন ইয়াসির। ক্রিকেট জীবনের যাবতীয় অভিজ্ঞতা নতুন ভূমিকায় তুলে ধরার চেষ্টা করছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার।

ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যে ইয়াসিরের প্রচুর অভিজ্ঞতা, তা বলা যাবে না। পাকিস্তানের হয়ে তিনি মাত্র ৩টি টেস্ট, ১১টি ওডিআই ও ১৩টি টি–টোয়েন্টি খেলেছেন। তবে দীর্ঘ কুড়ি বছরের কেরিয়ারে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন চুটিয়ে। খেলেছেন ২০৭টি ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচ। ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান দলের সদস্য ছিলেন ইয়াসির আরাফাত। টি–টোয়েন্টি নিয়ে আরাফাতের মতও স্পষ্ট। তাঁর মতে, টি-টোয়েন্টিতে সাফল্যের কোনও নির্দিষ্ট ফর্মুলা হয় না। ইয়াসিরের কথায়, “টি–টোয়েন্টিতে টিকে থাকতে হলে ইয়র্কার, ওয়াইড ইয়র্কার, স্লোয়ার বাউন্সার— সব ধরনেরই বল জানা দরকার। বলে যত বৈচিত্র থাকবে, সাফল্যের সম্ভাবনাও তত বেশি।”

ফাস্ট বোলারদের চোটের কারণও বলতে ভোলেনি ইয়াসির। তাঁর মতে, প্রায় সারা বছরই ক্রিকেট খেলা হয়। ফলে বিশ্রামের সময়ও খুব কম। বিশেষ করে টি–টোয়েন্টির মতো ম্য়াচগুলিতে শরীরের উপর খুব চাপ পড়ে। তাই অনেক বোলারই এখন নির্দিষ্ট একটি ফর্ম্যাট বেছে নিচ্ছেন। ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে নিয়ে আশাবাদী আরাফাত। তাঁর কথায়, “দলটিতে প্রতিভা আছে। অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওরা আরও সাফল্য় পাবে। প্রধানত, পরিস্থিতি বোঝা ও শেখার মানসিকতাই সাফল্যের প্রধান চাবিকাঠি।”