Pinaka Multi-Barrel Rocket Launcher: বিশ্ব বাজারে ‘পিনাকা’-র এত ডিমান্ড কেন, জানেন?

| Edited By: Purvi Ghosh

Feb 14, 2026 | 8:45 PM

অস্ত্রের বাজারে ভারত যেন ধীরে ধীরে গ্লোবাল এক্সপোর্টার হয়ে উঠছে।। কয়েকদিন আগেই আগরার কারখানা থেকে বেরিয়ে আর্মেনিয়ায় পৌঁছেছে ভারতের মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার ‘পিনাকা’, অর্থ শিবের ধনুক। আর্মেনিয়ার সেনা অস্ত্রাগারে ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল Anil Chauhan-এর উপস্থিতির ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে পিনাকা থেকে আকাশ এয়ার ডিফেন্স, ভারতীয় অস্ত্রশস্ত্রের উপস্থিতিই বেশি। আর্মেনিয়ার সংবাদমাধ্যমও এই সফরটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করেছে।

অস্ত্রের বাজারে ভারত যেন ধীরে ধীরে গ্লোবাল এক্সপোর্টার হয়ে উঠছে।। কয়েকদিন আগেই আগরার কারখানা থেকে বেরিয়ে আর্মেনিয়ায় পৌঁছেছে ভারতের মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার ‘পিনাকা’, অর্থ শিবের ধনুক। আর্মেনিয়ার সেনা অস্ত্রাগারে ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল Anil Chauhan-এর উপস্থিতির ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে পিনাকা থেকে আকাশ এয়ার ডিফেন্স, ভারতীয় অস্ত্রশস্ত্রের উপস্থিতিই বেশি। আর্মেনিয়ার সংবাদমাধ্যমও এই সফরটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করেছে।

আর্মেনিয়ার সেনা ও নৌবাহিনী ভারতীয় সেনার সঙ্গে যৌথ মহড়ার অনুরোধ জানিয়েছে। ভারত তাতে সম্মতিও জানিয়েছে। আর্মেনিয়ার সেনাপ্রধান সে দেশের সরকারি টেলিভিশনে বলেছেন, মিসাইলের বাজারে পিনাকা ক্ষেপণাস্ত্রের ‘গেম চেঞ্জার’ হয়ে ওঠার ক্ষমতা রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যেখানে ফ্রান্সে তৈরি একটি মিসাইলের দাম ৬০ থেকে ৮০ কোটি টাকা, সেখানে পিনাকার একটি ইউনিট ও ব্যাটারির দাম তার অর্ধেকেরও কম।

এবার নতুন সম্ভাবনা সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। কয়েকদিন আগে ঝটিকা সফরে ভারতে এসেছিলেন UAE-র সর্বোচ্চ নেতা। সূত্রের খবর, United Arab Emirates ভারত থেকে ২২০টি মিসাইল ও ব্যাটারি কিনতে আগ্রহী। ভারত এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, UAE-কে পিনাকা বিক্রির ক্ষেত্রে Saudi Arabia-র প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে, তা বিবেচনা করছে নয়াদিল্লি। বর্তমানে সৌদি আরব ও UAE-র মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে। তাই সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে সতর্ক অবস্থান ভারতের।

পিনাকা ১০০% ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার। সহজভাবে বলতে গেলে, মেশিনগান থেকে যেমন গুলিবৃষ্টি হয়, তেমনই মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার থেকে রকেটবৃষ্টি হয়। পিনাকা মাত্র ৪৫ সেকেন্ডে পরপর ১২টি রকেট নিক্ষেপ করতে পারে। শত্রুসেনা লক্ষ্যভেদে ব্যবহৃত হয় মেশিনগান, আর শত্রুর ঘাঁটি ধ্বংসে কার্যকর মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার।

এই অস্ত্র প্রথম তৈরি করে Defence Research and Development Organisation (DRDO)। লাইসেন্স নিয়ে এখন একাধিক বেসরকারি সংস্থাও পিনাকা উৎপাদন করছে। কার্গিল যুদ্ধে পাহাড়ের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর বাঙ্কার ধ্বংসে প্রথম ব্যবহার করা হয় এই মিসাইল।

সময়ের সঙ্গে পিনাকা আরও উন্নত হয়েছে। আগে একটি ইউনিটের কার্যক্ষমতা ছিল প্রায় ১০ বছর, এখন তা বেড়ে হয়েছে ২০ বছর। পাল্লা আগে ছিল ৪০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার, বর্তমানে তা ৭৫ থেকে ৯০ কিলোমিটার। ট্রাকে বহনযোগ্য হওয়ায় দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরানো যায়। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হলেও দামে বড় বৃদ্ধি হয়নি। এই কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে পিনাকার চাহিদা বাড়ছে।
প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী দু’বছরে অন্তত আটটি দেশে পিনাকা সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। পূর্ব ইউক্রেনে রুশ বাহিনী লাগাতার মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার ব্যবহার করছে, যার সামনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট Volodymyr Zelenskyy-র সেনাবাহিনীকে চাপে পড়তে হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে এই অস্ত্রের কার্যকারিতা দেখেই বহু দেশের আগ্রহ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Published on: Feb 14, 2026 08:44 PM