AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR-র সময়সীমা ৭ দিন বাড়াতেই আসরে তৃণমূল, কমিশনকে কটাক্ষ করে চন্দ্রিমা বললেন...

SIR-র সময়সীমা ৭ দিন বাড়াতেই আসরে তৃণমূল, কমিশনকে কটাক্ষ করে চন্দ্রিমা বললেন…

কৌস্তভ গঙ্গোপাধ্যায়

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Updated on: Dec 01, 2025 | 6:33 AM

Share

পরিকল্পনাহীনভাবে এসআইআর করা হচ্ছে বলে প্রথম থেকেই সরব রাজ্যের শাসকদল। ২ বছরের কাজ কেন তড়িঘড়ি ২ মাসে করা হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এসআইআর-র ফর্ম বিলি ও জমার জন্য নির্বাচন কমিশন ৭ দিন সময় বাড়াতেই আসরে নামল তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক করে কমিশনকে কটাক্ষ করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পার্থ ভৌমিকরা। চন্দ্রিমা বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেস বারবার বলেছিল, এত দ্রুততার সঙ্গে করা সম্ভব নয়। মানুষ আতঙ্কিত হবে, ভীত হবে। আমরা SIR-র প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু যেভাবে করা হচ্ছে, সেই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে। বারবার বলেছি, এটা হতে পারে না। যে প্রক্রিয়া আগে ২ বছর সময় ধরে চলেছে, সেটা এত কম সময়ে কীভাবে হতে পারে?" এরপরই তিনি বলেন, "হঠাৎ নির্ঘণ্টের পরিবর্তন। এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হল।জাতীয় নির্বাচন কমিশন এখন রাতের অন্ধকারে পরিবর্তন করে ফেলল। এতজন মানুষ মারা গেল, এর দায় কে নেবে? জবাব কে দেবে? হাতে রক্তের দাগ কার লেগে?"

পরিকল্পনাহীনভাবে এসআইআর করা হচ্ছে বলে প্রথম থেকেই সরব রাজ্যের শাসকদল। ২ বছরের কাজ কেন তড়িঘড়ি ২ মাসে করা হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এসআইআর-র ফর্ম বিলি ও জমার জন্য নির্বাচন কমিশন ৭ দিন সময় বাড়াতেই আসরে নামল তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক করে কমিশনকে কটাক্ষ করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পার্থ ভৌমিকরা। চন্দ্রিমা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস বারবার বলেছিল, এত দ্রুততার সঙ্গে করা সম্ভব নয়। মানুষ আতঙ্কিত হবে, ভীত হবে। আমরা SIR-র প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু যেভাবে করা হচ্ছে, সেই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে। বারবার বলেছি, এটা হতে পারে না। যে প্রক্রিয়া আগে ২ বছর সময় ধরে চলেছে, সেটা এত কম সময়ে কীভাবে হতে পারে?”

এরপরই তিনি বলেন, “হঠাৎ নির্ঘণ্টের পরিবর্তন। এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হল।জাতীয় নির্বাচন কমিশন এখন রাতের অন্ধকারে পরিবর্তন করে ফেলল। এতজন মানুষ মারা গেল, এর দায় কে নেবে? জবাব কে দেবে? হাতে রক্তের দাগ কার লেগে?”