কোথায়, কাকে ঘুষ দিতে হয়? সব বলে দিলেন অভিষেক
বাঁকুড়ার শালতোড়ায় পাথরভাঙা শিল্প বন্ধ পড়ে রয়েছে। এই নিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। শনিবার সেই শালতোড়াতেই সভা করতে এসে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শালতোড়ায় পাথরভাঙা শিল্প বন্ধ থাকার কারণও বললেন। এই নিয়ে নিশানা করলেন ডিজি মাইনসকে। তিনি বলেন, "শালতোড়ায় ৪টি ও মেজিয়ায় একটি খাদান চালু রয়েছে। একটা খাদান করতে গেলে কমপক্ষে ১ হেক্টর জমির প্রয়োজন। তারপর রয়েছে নানা সরকারি অনুমোদন। শুধু রাজ্য সরকার নয়, কেন্দ্রীয় সরকারেরও অনুমোদন লাগে। ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে ডিরেক্টরেট অব মাইন সেফটির ছাড়পত্র পেতে গেলে মাসের পর মাস লেগে যায়। এমনকি, কোনও খাদান মালিককে আইনি প্রক্রিয়া মেনে যদি খাদান চালুও করতে হয়, তবে এককালীন তাঁকে ৩০-৩২ লক্ষ টাকা ফি জমা দিতে হয়। দুই থেকে আড়াই বছর সেই প্রক্রিয়া শেষ করতে লাগে। তারপর অনৈতিকভাবে ঘুরপথে ওই ডিজি মাইনস, ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে যাঁর অফিস, তাঁকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়।" এদিনের সভা থেকে বাঁকুড়ায় ১২টি আসনেই জিততে হবে বলে দলের নেতাদের টার্গেটও বেঁধে দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
বাঁকুড়ার শালতোড়ায় পাথরভাঙা শিল্প বন্ধ পড়ে রয়েছে। এই নিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। শনিবার সেই শালতোড়াতেই সভা করতে এসে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শালতোড়ায় পাথরভাঙা শিল্প বন্ধ থাকার কারণও বললেন। এই নিয়ে নিশানা করলেন ডিজি মাইনসকে। তিনি বলেন, “শালতোড়ায় ৪টি ও মেজিয়ায় একটি খাদান চালু রয়েছে। একটা খাদান করতে গেলে কমপক্ষে ১ হেক্টর জমির প্রয়োজন। তারপর রয়েছে নানা সরকারি অনুমোদন। শুধু রাজ্য সরকার নয়, কেন্দ্রীয় সরকারেরও অনুমোদন লাগে। ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে ডিরেক্টরেট অব মাইন সেফটির ছাড়পত্র পেতে গেলে মাসের পর মাস লেগে যায়। এমনকি, কোনও খাদান মালিককে আইনি প্রক্রিয়া মেনে যদি খাদান চালুও করতে হয়, তবে এককালীন তাঁকে ৩০-৩২ লক্ষ টাকা ফি জমা দিতে হয়। দুই থেকে আড়াই বছর সেই প্রক্রিয়া শেষ করতে লাগে। তারপর অনৈতিকভাবে ঘুরপথে ওই ডিজি মাইনস, ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে যাঁর অফিস, তাঁকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়।” এদিনের সভা থেকে বাঁকুড়ায় ১২টি আসনেই জিততে হবে বলে দলের নেতাদের টার্গেটও বেঁধে দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।